তারিখ: বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং, ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

Share:

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধূম ইউনিয়নের কচুবানিয়া গ্রামের ডাকভঙ্গা এলাকার দুলাল বড়ুয়া (১৭) নামে এক স্কুলছাত্র পানিতে ডুবে নিখুঁজ হওয়ার সাত ঘন্টার পর লাশ উদ্ধার । সে উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে এস,এস,সি পরিক্ষা সম্পন্ন করেন। রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ২টায় নাইক্ষ্যংছড়ি পর্যটন উপবন লেকে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে গিয়ে এই নিখুঁজের ঘটনা ঘটে।
উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের কচুবুনিয়া গ্রামের ডাকভাঙ্গা এলাকার বিদু বড়ুয়া প্রকাশ দিপুর একমাত্র ছেলে।
তবে এই নিখুঁজ দুলালকে উদ্ধার করার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি,ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান মো, কামাল উদ্দীন ও নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো,শফি উল্লাহ,র সমন্বয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে উদ্ধারের কৌশল অবলম্বনের সিদ্ধান্তে উদ্ধার কার্যক্রম সফল হয় বলে সূত্রে জানাযায়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সাথে ১লা বৈশাখের নবষর্ষের আনন্দ উৎসবে ভ্রমন করতে নাইক্ষ্যংছড়ি পর্যটন উপবন লেকে আসে। লেকের পানিতে গোসল করতে গিয়ে দুলাল বড়ুয়া নিখুঁজ হয়। তবে নিখুঁজ দুলাল বড়ুয়া সাতাঁর কাটতে জানেনা বলে পরিবার সূত্রে জানান।
আর এদিকে, নিখুঁজ হওয়া ঘটনা পুরো উপজেলায় ছড়িয়ে পড়লে তখন উপজেলা প্রশাসন যোগাযোগের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী রামু উপজেলার ফায়ার সার্ভিস দল পৌঁছে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন খুঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হলে পরে চট্টগ্রাম থেকে একটি ডুবুরি দল এসে পৌঁছে। তবে এই ডুবুরি দল চট্টগ্রাম থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি ঘটনা স্থলে পৌঁছতে সন্ধ্যা হয়ে পড়ে। এর পরও ডুবুরিরা তাদের কার্যক্রম শুরু করে ২৫ মিনিটের মাথায় ডুবুরিরা নিখুঁজ দুলাল বড়ুয়ার লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আর এদিকে, নিখুঁজ হওয়া ঘটনাটি নিশ্চিত করেন দুলাল বড়ুয়ার বন্ধুরা।
নিখঁজ দুলাল বড়ুয়ার এক বন্ধু বলেন, পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ শুভ নববর্ষের দিনটি হলো বৌদ্ধদের বড়দিন। আমরা ১৫/২০জন বন্ধু-বান্ধব মিলে নাইক্ষ্যংছড়ি পর্যটন উপবন লেকে আনন্দ উপভোগ করতে এসে, লেকে গোল করতে গিয়ে আমরা সাতাঁর কাটি। তবে সে লেকের পাড়ের পানিতে নেমে গোসল করতে দেখি। পরে আমরা সবাই সাতাঁর কাটা শেষ করে দেখি বন্ধু দুলাল নিখুঁজ। তাৎক্ষনিক আমরা সবাই উপজেলা প্রশাসনের কাছে দ্বারস্থ হয়ে নিখুঁজে কথা অবহিত করি। তখন প্রশাসন প্রথমিক ভাবে খুঁজাখুঁজির কার্যক্রম শুরু করে দেয়।
উপজেলা নির্বাহী আফিসার সাদিয়া আফরিন কচি জানান, নববর্ষের দিনটি ছিলো পর্যটকদের ভীড়। দুপুরে প্রশাসনের অনুষ্টান কর্মসূচীর চলাকালীন নিখুঁজের ঘটনাটি জানতে পেরে তাৎক্ষুনিক ঘটানাস্থলে পৌঁছে সকল কার্যক্রমের ব্যবস্তা শুরু করা নির্দেশ দিয়ে দিয়। তবে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত নিখুঁজ দুলাল বড়ুয়ার সন্ধান মেলেনি। চট্টগ্রাম থেকে আসা ডুবুরিরা তাদের কার্যক্রম শুরু করার ২৫ মিনিটের মাথায় নিখুঁজ দুলাল বড়ুয়ার লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::