শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৪৩ অপরাহ্ন

নাইক্ষ্যংছড়িতে নিষিদ্ধ সময়ে বাশঁ কেটে পাচারের অভিযোগে কয়েক হাজার বাঁশ জব্দ

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুলাই ১৮, ২০১৮ ৮:৪২ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুলাই ১৮, ২০১৮ ৮:৪২ পূর্বাহ্ণ

আব্দুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি ::
বাশেঁর প্রজনন বৃদ্ধি ও চারা বাঁশ নিরাপদে বেড়ে উঠার জন্যে জুন-জুলাই-আগষ্ট (৩ মাস) বন্ধের সময়ে বাশঁ কেটে পাচারকালে কয়েকহাজার বাশঁ ও ৫০ মাথা মূল্যবান কাঠ জব্দ করেছে ১১ বিজিবি। যার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা। বিজিবি সদস্যরা ১৮ জুলাই বুধবার সকালে এ সব বাঁশ ও কাঠ জব্দ করেন চিকনছড়ি বনবিট কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জার নূরে আলমের দায়িত্বপূর্ণ বন এলাকা থেকেই। পাচারকারী দল কর্তৃক এ সব বাশঁ কেটে আনার সময় ১১ বিজিবির ছাগল খাইয়া বিওপি’র জোয়ানরা ঠান্ডাঝিরির মুরুংখাই বাশঁঘাট থেকে আটক করে। ১১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে:কর্ণেল আনোয়ারুল আজিম জানান, বাশঁ জব্দের সময় কোন কাগজ না থাকায় বিজিবি এ সব বাঁশ তাদের নিয়ন্ত্রনে আনে। এ সময় এসব বাশেঁর কোন কাগজ বাশঁ ব্যবসায়ীরা দেখাতে পারে নি। তাই বাঁশগুলো জব্দ করা হয়েছে। আর বন্ধের সময় বাশঁ কাটার প্রশ্নই-তো আসে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাশ কাটা বন্ধ হলেও জুলাই মাসে প্রতিটি বাজারে বাশঁ বিক্রি হয়েছে দেদারছে। বুধবারে ঘটনাও তাদের ধারাবাহিকতা। বুধবার বিজিবি বাশঁ আটকের আগ মূহুর্তে বাঁকখালীর এ বাঁশঘাটে অন্তত ৫ হাজারের অধিক বাশঁ এই ঘাটে বাধাঁছিল্।ো আর পাহাড়ে পাচারের অপেক্ষায় আছে আরো ১ লাখের উপরে। যা পাহাড়ে,ছড়ায়-ঝিরিতে মজুদ আছে। সুযোগ বুঝে রাতে বাকঁখালী নদী পথে রামুর বাঁশ বাজারে পাচার করা হবে ক্রমান্বয়ে।
তারা আরো জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি বনরেঞ্জ আওতাধিন একাধিক বনবিট থেকে কাটা গাছ-বাশঁ বিক্রির জন্যে হাট বসে প্রতি বৃহষ্পতিবার। সে মতে এ হাটেও গাছ-বাশঁ বিক্রি হয়ে আসছে হরদম বর্তমানেও। তারা জানান, বর্তমানে শতশত বাশঁ ও গাছ কাঠুরিয়া পুরো নাইক্ষ্যংছড়ির বিস্তৃর্ণ বনে বাশঁ-গাছ কাটছে বিরামহীনভাবে। যাদের কিছু অংশ কাঠ গিলে খাচ্ছে উপজেলায় নানা স্থানে স্থাপিত প্রায় ২০টির অধিক করাত কল। এখানে আরো আছে ৭টি ইটভাটাও। এভাবে এ বনের কাঠ ব্যবহারে নাইক্ষ্যংছড়ি,রামু, উখিয়া,ঈদগাঁও,কককসাজার ও খুটাখালীতে গড়ে উঠছে ৫ শতাধিক ফার্নিসারের দোকান-পাট। আর এভাবে বাশেঁর বেলাতেও অনুরূপ ঘটনা ঘটে যাচ্ছে এ উপজেলায়।
স্থানীরা জানান, চিকনছড়ি বনবিট এলাকার সরকারী বেসরকারী সব ধরনের পাহাড় এখন বনদস্যূদের নিয়ন্ত্রনে চলে যায় এভাবে। এ বনে বনবিভাগ মূখে কুলূপ নিলেও বিজিবি যা করেন-তাতেই সার। বুধবারের ঘটনাও তারই অংশ বিশেষ। তাদের বক্তব্য বন্ধের সময় ১টি বাশঁ কাটতে শত চারা বাশঁ নষ্ট হয়,কাটা যায়। আর কাঠ-বাশঁ পাচারকারী দলের চলাচলে বাশেঁ প্রজনন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা নূরে আলম এ প্রতিবেদককে জানান,বিজিবি কতৃর্ক বাশঁ আটকের কথা শুনেছেন তিনি। তবে কতটি বাঁশ তারা ধরেছে সে মূর্হুতে বলতে পারেননি তিনি।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::