শিরোনাম ::
উখিয়ার রোহিঙ্গা হিন্দু ক্যাম্পের দুর্গোৎসবে অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে কোস্ট ফাউন্ডেশন। উখিয়ায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত কোটবাজার সিএনজি মালিক-চালক সমিতির কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও উপজেলা সমবায় অফিসারের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন উখিয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ!
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

দুই লক্ষ পর্যটকদের নিরাপত্তায় ২০৮ ট্যুরিস্ট পুলিশ!

ডেস্ক নিউজ
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার সবসময় পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে। নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরা এই শহরে প্রতি পর্যটন মৌসুমে সরকারি ছুটি ও বিশেষ দিবসে দুই লক্ষাধিক পর্যটকের আগমন ঘটে। কিন্তু এত পর্যটকের নিরাপত্তায় রয়েছেন মাত্র ২০৮ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ।

লোকবল থেকে শুরু করে রয়েছে নানা অবকাঠামোগত সংকট। দীর্ঘদিন এই অবস্থা চললেও এত অল্প সংখ্যক ট্যুরিস্ট পুলিশ দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলেছেন পর্যটকরা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন জেলা ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তারা।

গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে নারী পর্যটককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজারের গুড ভাইব কটেজ রিসোর্টে অস্ট্রেলিয়ান নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, ২০০৫ সালে বিদেশি নারীকে ধর্ষণের ঘটনা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও ট্যুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে সমুদ্রসৈকত ঘিরে জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেক পর্যটক।

খাতা-কলমে ২৫০, আছে ২০৮ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৩ সালে পর্যটকদের নিরাপত্তায় গঠন করা হয় ট্যুরিস্ট পুলিশ। সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থানরত সৈকত পুলিশ ফাঁড়ি ভেঙে যুক্ত করা হয় ট্যুরিস্ট পুলিশে। তখন থেকে কক্সবাজার উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে ট্যুরিস্ট পুলিশকে একটি রিজিয়নে পরিণত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয় জনবল।

পর্যটকের নিরাপত্তায় রয়েছেন মাত্র ২০৮ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ
কক্সবাজার রিজিয়নে একজন পুলিশ সুপারের অধীনে ২৫০ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ খাতা-কলমে থাকলেও রয়েছেন ২০৮ জন। বাকি ৪২টি বিভিন্ন পদশূন্য। ফলে বিপুল পরিমাণ পর্যটককে সামাল দিতে এই বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়।

বর্তমানে কক্সবাজার শহরে ১৩৫, ইনানী সাব-জোনে ১৮, টেকনাফ সাব-জোনে ১৮, সেন্টমার্টিন সাব-জোনে ২১ ও ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক সাব-জোনে ১৬ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। তবে এর বাইরে একাধিক পর্যটন স্পট থাকলেও সেখানে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের কার্যক্রম নেই।

জেলায় ৩৫টি পর্যটন স্পট, কোন জোনের দায়িত্বে কতজন ট্যুরিস্ট পুলিশ

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ‘কক্সবাজার সমুদ্রসৈতক ছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে ৩৫টি পর্যটন স্পট। এসব পর্যটন স্পটের বেশিরভাগ এলাকায় নেই ট্যুরিস্ট পুলিশ। বিশেষ করে সোনাদিয়া, মহেশখালী, খুরুশকুল, হিমছড়ি এলাকা সবসময় পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে। কিন্তু এসব পর্যটন স্পটে নেই ট্যুরিস্ট পুলিশ। নেই কোনও ট্যুরিস্ট পুলিশের ফাঁড়ি কিংবা নিরাপত্তা চৌকি। ফলে এসব এলাকার পর্যটকরা সবসময় নিরাপত্তাহীনতায় থাকেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কক্সবাজারে পর্যটক আগমনের তুলনায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য অপ্রতুল। প্রতি মৌসুমে সরকারি ছুটি কিংবা বিশেষ কোনও দিবসে কক্সবাজারে পর্যটকদের আগমন বেশি ঘটে। শহরের সাড়ে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টে দুই লাখের বেশি পর্যটকের আগমন ঘটে। এসব পর্যটক আবার ভাগ হয়ে সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট ভ্রমণ করেন। শুধুমাত্র কক্সবাজারের পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন ৫০০-৭০০ ট্যুরিস্ট পুলিশ।’

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ
তিনি বলেন, ‘পর্যটকরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের সময় প্রতিটি জাহাজে দুই জন করে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য মোতায়েন থাকে। এভাবে ইনানী, টেকনাফ ও ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন থাকে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন


আরো খবর: