শিরোনাম :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

টেকনাফ শামলাপুর -হোয়াইক্যং সড়কে গণপরিবহনে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুলাই ৩, ২০১৮ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুলাই ৩, ২০১৮ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ

টেকনাফ শামলাপুর – হোয়াইক্যং সড়কের গণ পরিবহনে দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ৩ জুলাই সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টেকনাফ হোয়াইক্যং- শামলাপুর সড়কে উভয়মুখী প্রায় ১৫-২০ টি গণ পরিবহনে এই দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে বলে ডাকাতির শিকার হওয়া লোকজন জানিয়েছেন। এসময় ডাকাতরা যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল, টাকা সহ বিভিন্ন জিনিস পত্র ছিনিয়ে নেয় বলে যাত্রীরা জানান।
এদিকে ডাকাতদের কবলে পড়া সোহেল আনসারী নামক এক চাকরিজীবি বলেন, আমি পালংখালী থেকে চাকরির ডিউটি শেষে মোটর বাইক যোগে আমার বাড়ি শামলাপুর ফিরার সময় হোয়াইক্যং ঢালার কুইখালী ব্রিজ পর্যন্ত আসলে দেখি এক ডাকাত দল রাস্তায় ডাকাতি করছে। তার মধ্যে তিনজন ডাকাত আমাকে তিনটি অন্ত্র ঠেকিয়ে গতিরোধ করে। ডাকাতরা আগে যে গাড়ি গুলো ডাকাতি করছিল সব গাড়ি রাস্তায় এলোমেলো ভাবে রেখে ব্যারিকেড সৃষ্ট্রি করে। এবং সব যাত্রীদের হাত পেছন দিকে বেঁধে রাখে। তারপর ডাকাতরা অস্ত্র ঠেকিয়ে আমার কাছে থাকা মোবাইল, টাকা সহ সব কিছু ছিনিয়ে নেয়। পরে আমাকেও আগের যাত্রীদের সাথে জিম্মি করে বসিয়ে রাখে
সোহেল জানান আমার মতে ডাকাতরা ১০-১২ জন ছিল, কারো হাতে অস্ত্র ছিল, আবার কারো হাতে ছিল ধারালো লম্বা দা আর ডাকাতদের মধ্যে বেশি ভাগ চাকমা ডাকাত ছিল। পরে তারা ডাকাতি করে চলে যাওয়ার সময় উপর দিকে গুলি করে চলে যাই বলে সোহেল জানান।
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ সন্ধ্যা হলে প্রায় সময় হোয়াইক্যং ঢালাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। কিছু স্থানীয় ডাকাতদের সহায়তা ছাড়া বাইরের কোনো ডাকাত এখানে ডাকাতি করার সাহস পাবেনা। তাই স্থানীয় এই ডাকাতদের চিহৃিত করে আইনের আওতায় আনলে হোয়াইক্যং ঢালাকে ডাকাত মুক্ত করা যাবে বলে তাদের অভিমত।
এই ব্যাপারে টেকনাফ বাহারছড়ার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাশকে অবহিত করলে তিনি এই ব্যাপারে খোঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানান।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::