শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

টেকনাফে আকাশছোঁয়া দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২

হেলাল উদ্দিন টেকনাফ::

উপজেলার বিভিন্ন বাজারে হঠাৎ করে তরমুজের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। সরকারিভাবে তরমুজের দাম নির্ধারণ না থাকায় দোকানিরা নিজেদের মতো করে দাম হাঁকাচ্ছেন এবং আদায় করে নিচ্ছেন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারের বিভিন্ন স্থানের ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা তরমুজ সাজিয়ে রেখেছেন। এরমধ্যে দেশীয় তরমুজসহ বিভিন্ন দেশের জাতের তরমুজ সংখ্যাই বেশি। পাকা তরমুজের পাশাপাশি গাছ থেকে ছিড়ে আনা আধা-পাকা তরমুজও রাখা হয়েছে। তবে সেগুলো মজুদের পাশাপাশি কেমিক্যালের মাধ্যমে পাকানোর পর বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগও উঠেছে।
ছোট সাইজের একটি তরমুজ ৫০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। আবার মাঝারি সাইজের প্রতি পিস ১৫০ টাকা থেকে ২০০/২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় সাইজের প্রতি পিস তরমুজ ৩০০/৪০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দরে হাঁকিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে বাজারের এসব তরমুজ অধিকাংশই কৃত্রিমভাবে পাকানো ও নিম্নমানের বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

টেকনাফ পৌর শহরের বাজারে তরমুজ কিনতে আসা ইসমাঈল নামের এক ব্যক্তি । তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও যে তরমুজের দাম ছিল ১০০/১৫০ টাকা, রমজানের শুরু হতে না হতেই এখন সেই তরমুজ ২৫০/৩০০ টাকা দাম হাঁকানো হচ্ছে ।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, তরমুজ ব্যবসায়ীদের কোনো ধরনের তদারকি/ মনিটরিং না করায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো দাম আদায় করে নিচ্ছেন। এতে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের রোজাদার লোকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

টেকনাফ বাস ষ্টেশন বনিক কল্যাণ সমিতির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী নেতা বলেন, বাস স্টেশন এলাকার ফুটপাত দখল করে গাড়ির কাউন্টার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। সুযোগ বুঝে যে যার মতো রোজদারী গ্রাহকদের কাছ থেকে তরমুজের দাম আদায় করে নিচ্ছেন। তবে এসব বিষয় দেখভালের মতো কারও কোন দায়িত্ব নেই ?

এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এরফানুল হক চৌধুরী বলেন, বাজার মনিটরিং এর জন্য একটি দল কাজ করে যাচ্ছে। প্রথম রোজার দিন আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মূল্যতালিকা না টাঙ্গানোর অভিযোগে এক লাখ ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মূল্যতালিকা না থাকলে যে কাউকে যেকোনো সময় আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।


আরো খবর: