শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

টেকনাফের ৮ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান, ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার-গ্রেফতার ৫৯

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১

শাহ মোহাম্মদ রুবেল :

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৮ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৬ এপিবিএন কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ অভিযানে অক্টোবরে মাসে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৯ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) এসব তথ্য নিশ্চিত করে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, পহেলা অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রাখা হয়। আটককৃতদের মধ্যে এ পর্যন্ত তথাকথিত আরসা ও আল-ইয়াকিন নামধারি ৮ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে মাদক, অস্ত্র, ধর্ষণ, অপহরণ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও রয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার আরও বলেন, উক্ত অভিযানে ২২০৪ পিস ইয়াবা, ৩২ লিটার দেশিয় চোলাই মদ, ৫ টি এলজি, ৪টি একনলা বন্দুক ও ১৪ টি রামদা বা ক্রিরিচ উদ্ধার করা হয়।

মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ৫ মামলার বিপরীতে ১০ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। ১৪ জন অপহৃতের মধ্যে ১৪ জনকে উদ্ধার করে তদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ৫টি অপহরণ মামলায় ৭ জন অপহরণকারীকে আটক করা হয়।

১২টি অস্ত্র মামলায় ২২ জনকে আটক করা হয় এছাড়াও ২টি ধর্ষণ মামালায় ২ জন ধর্ষককে ও আটক করা হয়। অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত ১৯টি মামলায় ১১ জনকে আটক করা হয়।

তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। আমরা চাই সাধারণ রোহিঙ্গারা ভালো থাকুক। তথাকথিত দুর্বৃত্ত গ্রুপের নাম করে কাউকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করতে দেওয়া হবে না। আমাদের দেশে অন্য দেশের দুর্বৃত্তদের কোন স্থান নেই। এ সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তথাকথিত দুর্বৃত্তদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গেল বছরের ১ জুলাই থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেন ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। ১৬ এপিবিএন এর আওতাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো হল (চাকমারকুল,উনচিপ্রাং,শামলাপুর,লেদা,আলিখালি,শালবাগান,জাদিমোড়া ও
নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড)।


আরো খবর: