শিরোনাম :
জেলে পরিবারে চলছে নিরব দুর্ভিক্ষ কুতুবদিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করলেন ওমর হায়দার কক্সবাজারে বৃহস্পতিবার ৫৯ জনের করোনা শনাক্ত কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেয়ায় ৩ পুলিশ পরিদর্শকসহ ১৭ জনের নামে মামলা সৌদিতে কারগাড়ির চাপায় চকরিয়ার যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের মাতম চকরিয়ায় যাত্রীবেশী দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে টমটম চালক খুন জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝির অবশান, শেষে চকরিয়ায় এমপি জাফর ও লিটুকে গণসংবর্ধনা চকরিয়ায় বনের উপর নির্ভশীল ভিসিএফ সদস্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র মূলধনের ২২ লক্ষ টাকা অনুদান বিতরণ টেকনাফে মাদক কারবারীর বাড়ি থেকে ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা আটক চকরিয়ায় ২ হাজার ৪শ ইয়াবাসহ পাচারকারী ৩ নারী আটক
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
কক্সবাজার পোস্টে আপনাকে স্বাগতম, আমাদের সাথে থাকুন,কক্সবাজারকে জানুন......

ঝুঁকিপূর্ণ কাজেও বেতন বৈষম্যের শিকার নারী ও শিশুশ্রমিক

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ৩০, ২০১৮ ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ৩০, ২০১৮ ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ

নুরুল আমিন হেলালী:

ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুদের অন্তরে। আজকের শিশু আগমী দিনের ভবিষ্যত। পৃথিবীতে যা কিছু কল্যাণকর অর্ধেক তার গড়িয়েছে নারী অর্ধেক তার নর। সরজমিনে দেখা গেছে, জেলা শহর থেকে শুরু করে গ্রামে গঞ্জেও সব ধরনের অর্থনৈতিক কাজে নারী ও শিশুরা শ্রম দিচ্ছে। তবে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে মানা হচ্ছে না শ্রম আইন। অনেকেই মনে করছেন শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে হলে সরকারকে শিশু শ্রম আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। দেখা যায়, স্কুলের শিক্ষকরাও অনেক সময় শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন চালান, তা বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে হালকা থেকে ভারি ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, আবার অনেকেই পরিবারকে সহযোগিতা করতে বাধ্য হয়ে এধরণের কাজে লিপ্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। সরেজমিনে,কক্সবাজার জেলা শহর, লিংক রোড,বিসিক শিল্প এলাকা, সদরের বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজার ও ইসলামপুর শিল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ওখানকার প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে দেখা গেছে নারী ও শিশু শ্রমিক নিয়োজিত। হোটেল ও রেস্টুরেন্টের গ্ল¬াসবয়, অর্ডারবয়, বিভিন্ন প্রসাধনি, মনিহারী ও কাপড়ের দোকানের বিক্রয়কর্মী, চটপটি-চনামুড়ি বিক্রেতা, রিক্সা চালক, ভাঙ্গারী দোকান, মটর গ্যারেজ, মাইক্রোবাস-মিনিবাসের হেলপার, আসবাবপত্র তৈরীর কারখানা, ওয়েল্ডিং ও গ্রীল ওয়ার্কশপ, বেকারী-পেস্ট্রিশপ, পত্রিকার হকার,মাছ ও তরকারী বিক্রেতা,কাঠ ও লাকড়ি বিক্রি, ইটের ভাটায় ইট ভাংগাসহ সব ধরনের কাজেই মুনাফালোভী মালিকরা স্বল্পমজুরীতে ওই সকল ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নারী ও শিশুদের ব্যবহার করছে। আন্তর্জাতিক শ্রম আইন সংস্থা (আই এল ও) এবং ইউনিসেফ পরিচালিত সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গেছে, দেশের প্রায় তিন শ ধরণের অর্থনৈতিক কাজে শৈশব বিক্রি করছে শিশুরা। এই শিশু শ্রমিকদের বেশীর ভাগের বয়স ৭ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। শিশু শ্রম নিয়ন্ত্রনে আইন করা হলেও তার যথাযথ প্রয়োগ নেই। ফলে আইন অমান্য করে মালিক পক্ষ অত্যন্ত কম বেতনে ঝুঁকিপূর্ণ কাজেও ব্যবহার করছে নারী ও শিশুদের। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ। জেলায় নাম সর্বস্ব অর্ধ ডজন মানবাধিকার সংগঠন থাকলেও নির্যাতিত শিশু কিংবা অপরাধ প্রবনতায় জড়িয়ে পড়া শিশুর মানবাধিকার রক্ষায় কেউ তেমন সচেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন অনেকেই । জেলায় প্রতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে নারী ও শিশু শ্রমিক নেই। শুধু চরম দারিদ্রতার কারনে তাদের বাবা-মা এধরনের কাজে ঠেলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। তাই নারী ও শিশু শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে বলে মনে করেন অনেকেই।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::

সর্বশেষ