মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:২২ অপরাহ্ন

জোর করে নয়, নিজ ইচ্ছাতেই মুসলমান হয়েছেন আলোচিত দুই বোন : পাকিস্তান আদালত

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১২, ২০১৯ ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১২, ২০১৯ ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ

পাকিস্তানের আলোচিত সেই দুই কিশোরী বোন স্বেচ্ছায় মুসলমান হয়েছেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির হাইকোর্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার দেয়া ওই ঘোষণায় হাইকোর্ট জানান, সিন্ধু প্রদেশের ওই ঘটনায় ইসলাম গ্রহণ করতে তাদের ওপর কোনো চাপ প্রয়োগ করা হয়নি।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়, রাভিনা (১৩) ও রিনা (১৫) গত মাসের ২৫ তারিখে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে একটি অভিযোগ দায়ের করে। তাতে বলা হয়, পুলিশ তাদেরকে হয়রানি করছে। এ সময় তারা জানায়, তারা পুরোপুরি নিজের ইচ্ছাতেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল।

আদালত বলেন, তারা যথেষ্ট প্রাপ্তবয়স্ক, তারা তাদের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং তাদের কোনো প্রকার জোর করা হয়নি। এ সময় আদালত তাদেরকে তাদের স্বামীর সাথে থাকারও অনুমতি দেয়।

পাকিস্তানের দক্ষিণ সিন্ধু প্রদেশের দুই কিশোরী বোন ২০ মার্চ পাঞ্জাব প্রদেশে পরিবারের অনুমতি ছাড়াই বিয়ে করেন। এরপর তাদের পরিবার অপহরণ ও ডাকাতি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ১০ জনকে আটক করে।

বিষয়টি আরো আলোচনায় আসে যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই দুই বোনের বাবা ও ভাই দাবি করছে, রাভিনা ও রিনাকে অপহরণ করে জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে গ্রহণ করানো হয়েছে। তবে অন্য ভিডিওতে দেখা যায়, দুই বোন বলছেন, তারা দুজন মুসলিমকে বিয়ে করেছেন এবং তারা স্বেচ্ছায় মুসলিম হয়েছেন।

এ অবস্থায় ইসলামাবাদের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আতহার মাইনুল্লাহ বিষয়টি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। এ কমিটির শুনানির পর আদালত এই দুই বোনকে নিজ জিম্মায় নিতে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে নির্দেশ দেন।

এ ঘটনায় প্রতিবেশী হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ভারতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। দেশটি এ ব্যাপারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাদের উদ্বেগের বিষয়টি জানায়। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজও এ ব্যাপারে টুইটারে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::