শিরোনাম :
উখিয়া প্রেসক্লাব নির্বাচনের চুড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ আলীকদমে শর্টবড়ি (চাঁদেরগাড়ী) মাইক্রো বাস মালিক সমবায় সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ঝিলংজা ইউনিয়ন যুবলীগের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত উখিয়ার আবদুর রহিম ইয়াবা নিয়ে র‍্যাবের হাতে আটক নাইট কোচে ডাকাতি: গ্রেপ্তারকৃত বাস চালক সহ তিনজনকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন মহেশখালী থেকে ছিনতাই হওয়া মটরসাইকেল উদ্ধার : গ্রেফতার-১ টেকনাফে ১০হাজার ইয়াবা বড়িসহ আটক-১ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিবেশ, পর্যটন ও উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাজাসহ আটক ২ উৎসবমুখর পরিবেশে উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

জিয়াউর রহমানের মার্শাল ল ট্রাইব্যুনালে বিচারে সাজাপ্রাপ্তদের নির্দোষ ঘোষণার দাবি

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২০ ৩:২৯ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: অক্টোবর ২, ২০২০ ৩:৩০ অপরাহ্ণ

[ad_1]

ঢাকা, ৩ অক্টোবর- জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলে ১৯৭৭ সালে মার্শাল ল ট্রাইব্যুনাল কোর্টের বিচারে ফাঁসি দেওয়া সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা নির্দোষ ছিলেন বলে বিশ্বাস স্বজনদের। সরকারিভাবে তাদের নির্দোষ ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে আজিমপুর কবরস্থানে তাদের সমাধিতে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করতে সরকারের কাছে জানানো আবেদনের দ্রুত বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করছেন তারা। 

কোর্ট মার্শালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের স্বজন এবং চাকরিচ্যুতদের ‘সাতাত্তরের ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা’ নামের একটি সংগঠন রয়েছে। এর ব্যানারে শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করে জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেন তারা।

প্রয়াত বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমানের ছেলে মো. কামরুজ্জামান মিয়া লেলিনের বয়স ১৯৭৭ সালে ছিল ছয় বছর। মানববন্ধনে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু আমি এতই হতভাগ্য যে, বাবার লাশ দেখার সুযোগ পাইনি। ১৯৯৬ সালে সাংবাদিক জায়েদুল আহসান পিন্টুর প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানতে পারি, ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবরের ঘটনায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি হওয়া সেনা ও বিমান বাহিনীর ১২১ সদস্যের লাশ আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তার মধ্যে আমার বাবার লাশও ছিল। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমার বাবার ফাঁসি হয় ১৯৭৭ সালের ২৫ অক্টোবর।’

মো. কামরুজ্জামান মিয়া লেলিনের কথায়, ‘কথিত অভ্যুত্থানের অভিযোগে ১৯৭৭ সালের ৮ অক্টোবর থেকে সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের ফাঁসি দিতে শুরু করেন তৎকালীন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান। কিন্তু এর ছয় দিন পর তিনি মার্শাল ল আইন পাস করেন। তার মানে আগে ফাঁসি দিয়ে পরে আইনটি পাস হয়েছে।’

নিয়ম অনুযায়ী, মার্শাল ল ট্রাইব্যুনালে বিচারক থাকেন পাঁচজন সেনা কর্মকর্তা। মো. কামরুজ্জামান মিয়া লেলিনের দাবি, ‘তাদের মধ্যে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং বাকি চারজন ক্যাপ্টেন থাকার কথা। সবার চাকরির বয়স ন্যূনতম তিন বছর হতে হয়। কিন্তু জিয়াউর রহমান তা পরিবর্তন করে নিজের মতো করে সিপাহী ও হাবিলদারদের বিচারক করেন। তারা নিজেদের খেয়ালখুশি মতো রায় দিয়েছে।’

বিচারের নামে আমার বাবাসহ যাদের হত্যা করা হয়েছে তারা সবাই নির্দোষ ছিলেন। এটা প্রমাণিত, কিন্তু আনঅফিসিয়াল। আমরা এখন এ বিষয়ে সরকারি স্বীকৃতি চাই। তখন ফাঁসিতে নিহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ১০-১২ বছর সরকারি চাকরি করেছিলেন। আমাদের চাওয়া, যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের ছেলেমেয়ে বা নাতি-নাতনিদের চাকরি বা আর্থিক সুবিধা দেওয়া হোক।’

সেই সময় যাদের লাশ আজিমপুরে দাফন করা হয়েছে তাদের কবর চিহ্নিত করে সেখানে সরকারি স্বীকৃতি দিতে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের দাবি উঠেছে। এ বিষয়ে ২০১৯ সালের ২৬ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে ‘সাতাত্তরের ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা’ সংগঠন। স্বজনরা অতি দ্রুত এর বাস্তবায়ন দেখতে চান।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোর্ট মার্শালে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে হাইকোর্টে একটি রুল করা হয়েছে। এ তথ্য উল্লেখ করে কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সামনে আবারও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবো। আশা করি, আমরা ন্যায়বিচার পাবো।’

কোর্ট মার্শালে সাজা পেয়ে চাকরিচ্যুত সার্জেন্ট মোবাহের আলীর ছেলে কে এম তমাল মানববন্ধনে বলেন, ‘বিনা অপরাধে যাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ও চাকরিচ্যুত করে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তারা নির্দোষ ছিলেন। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। তাদের কাছে একটাই দাবি, আমার বাবা ও তার সহকর্মীরা যে নির্দোষ ছিলেন, সেটি ঘোষণা করা হোক। বাবা কিছুদিন আগে মারা গেছেন। আমরা ন্যায়বিচার পেলে বাবার আত্মা কিছুটা হলেও শান্তি পাবে।’

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আর/০৮:১৪/০৩ অক্টোবর



[ad_2]

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::