মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০৪ অপরাহ্ন

চকরিয়া উপজেলার মাদকের জমজমাট ব্যবসা চলছে : গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: মে ২৪, ২০১৮ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: মে ২৪, ২০১৮ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মদ উল্লাহ-চকরিয়া ::
দেশ ব্যাপায়ী মাদেকর বিরুদ্ধে সাড়াষী অভিযানে ও থেমে নেয় চকরিয়া উপজেলায় বিভিন্ন্ এলাকায় মাদকের জমজমাট ব্যবসা এসময় ছুনেফুটি গ্রেফতার হলেও মাদকের গড়ফাদার পুলিশের ধরাছোয়ার বাইরে।
প্রতিদিন সন্ধ্যার পর প্রতিটি গ্রাম,মহলায় ও পৌরশহরে মাদক ব্যবসায়ীরা অভিনব কৌশলে সেবনকারীদের কাছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল পৌঁছে দিচ্ছে এতে জড়িত রয়েছে স্থানীয় কিছু ও মাদক ব্যবসায়ীর গডফাদার।যার কারণে পুলিশসহ প্রশাসনের অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করতে পারছে না।

অপরদিকে লোক দেখানো খুচরা বিত্রেুতা আটক করলে ও তাদেরকে নয় ছয় করে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কিছু পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ।। সারা দেশের ন্যায় মাদকের বিশেষ অভিযানে প্রতিদিন মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, আগের চেয়ে মাদক ব্যবসায়ী সংখ্যা অনেক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মো.বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী দাবী করেন।
জানা গেছে চকরিয়া উপজেলা হচ্ছে জেলার মধ্যে মাদকের পাচারের অন্যতম রাস্তা কারণ কক্সবাজার পর্ষটন শহরে যাতায়তের রাস্তা এক মাত্র চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় হাজার যাত্রীবাহী ও প্রাইভেট কার বাস চলাচল করে ফলে মাদক বহন করতে এই সড়ক সুবিধা জনক বলে মাদক পাচার হচ্ছে অবাধে।

কিছু মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীরা জেল থেকে ছাড়া পেয়ে পুনরায় ্এই ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ছে । ফলে মাদক ব্যবসায়ীরা অবাদে টেকনাফ সীমান্ত থেকে কক্সবাজার জেলায় প্রবেশ করে সেখান থেকে বিভিন্ন জেলাগুলোতে সহজে মাদক পাচার করতে পারে বলেএজন্য কক্সবাজার-চট্রগ্রাম মহাসড়ক মাদক পাচার নিরাপদ রাস্তা হিসাবে ব্যবহারিত হয়। মাঝে-মধ্যে কয়েকটি চালান পুলিশ ধরলেও কয়েক মাস ধরে পুলিশের অভিযান শিথিল হওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীরা নির্ভয়ে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীরা রাত সাড়ে সাতটা থেকে ৯টার মধ্যে প্রতিটি গ্রাম মহলায়ও বিভিন্ন শহরে ইয়াবা নামক মরণ নেশা মাদক পৌঁছে দেয়। কারণ এ সময় পুলিশ ডিউটি পরিবর্তন করে রাস্তায় পুলিশের কোনো গাড়ি থাকে না বলে । তারা নির্ভয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক পৌঁছে দিতে কোনো বাধা অতিক্রম করতে হয় না বলে জানায় এলাকাবাসী।
এই বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক,কাউছার উদ্দীন (কচির) বলেন, মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে হলে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মাদক ব্যবহারের তার কুফল সম্পর্কে জানাতে হবে। তাদের প্রতি অভিভাবকদের নজর দিতে হবে। পাশাপাশি যুব সমাজের অগ্রণী ভুমিকা রাখতে হবে। পুলিশ ও বিভিন্ন আইনশৃখলা বাহিনী টহল বৃদ্ধি করলে কিছুটা হলেও মাদক মুক্ত করা যাবে এই সমাজকে।সচেতন মহল অভিমত ব্যক্ত করে বলেন মাদক মুক্ত করতে হলে পুরো সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তা-নাহলে এসমাজ থেকে কখনো মাদক মুক্ত করা যাবে না
এদিকে চকরিয়া থানার ্ওসি মো,বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী বলেন প্রতিদিন ২/৩ টি মাদক এর মামলা হচ্ছে বলে দায়সারা ভাবে এড়িয়ে যায়। মাদক ব্যবসায়ী বা সেবনকারী আটক করা হলে তা কখনো ভ্রমান্যমান আদালতে মাধ্যে তাদের কে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
চকরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মো,বখতিয়ার চৌধুরী আরো জানান,চকরিয়াকে মাদক মুক্ত গড়ার প্রত্যায় নিয়ে আমি আশার পর থেকে অভিযান জোরদার করি।মাদক সেবনকারী ও বিত্রুয়কারী আটক করি এবং কাউকে ছাড়া হয়নি।
চকরিয়া উপজেলাকে মাদক মুক্ত গড়তে চাইলে সমাজের বিভিন্ন ভাবে লোকের সহযোগিতা দরকার। মাদক বিরুদ্ধে অভিযান শিথিল বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়, আমাদের অভিযানে অস্ত্র, মাদকের বড় বড় চালানসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছি।’

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::