শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

চকরিয়ায় ক্লাসে শিক্ষকের মারধরে জ্ঞান হারালো ২ ছাত্রী, অভিযোগ দায়ের

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১৭, ২০১৯ ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১৭, ২০১৯ ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ

জিয়াউল হক জিয়া,চকরিয়া ::

চকরিয়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ক-শাখার শিরিন ও নাসরিন নামের ২ ছাত্রীকে গণিত শিক্ষক থেকে প্রাইভেট না পড়ার ইস্যু ধরে ব্যাপক মারধর করায়ক্লাসে ২ ছাত্রী বেহুশ হওয়ার দায়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, অভিযোগকারী শফিউল কাদেরচকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের মাইজঘোনা গ্রামের মৃত দৌলত হোসেনের পুত্র।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারীর মেয়ে ছাহিবা সুলতানা শিরিন,চকরিয়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮শ্রেণীর ক-শাখা ছাত্রী ও তার বান্ধুবী নাসরিন আক্তার।

অভিযুক্ত ব্যক্তি রাশেল উদ্দিন (গণিত শিক্ষক) চকরিয়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। তিনি একই উপজেলার লক্ষ্যাচর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের কাজীর পাড়া গ্রামের মৃত নুরুল কবিরের পুত্র।

গত ৯ এপ্রিল ২:৪০ মিনিটের সময় গণিত শিক্ষক রাশেল ক্লাস করতে গিয়ে উক্ত শিক্ষক থেকে প্রাইভেট না পড়ার ইস্যু ধরে অশ্রাব্য আচারণের পরে ব্যাপক মারধর করে। এমতাবস্হায় ক্লাস চলাকালীন সময়ে নাসরিন নামের ছাত্রী বেহুশ হয়ে যায়।

পরে ক্লাস শেষে বাড়ী ফেরার পথে আমার মেয়ে শিরিনও বেহুশ হয়ে পড়ে গেলে লোকজন আমার আর এক ছোট বাচ্চার সহযোগিতায় চকরিয়া স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর আমি দ্রুত হাসপাতালে যায়।

এতে দেখা যায় গণিত শিক্ষক রাশেল ও প্রধান শিক্ষক বেহুশ ছাত্রীদেরকে দেখতে গেছে। পরে ডাক্তার কাছে গিয়ে খোজঁ নিয়ে দেখি হাসপাতালের সিটে ভর্তি রয়েছে।তবে সরকারী রেজিষ্টার খাতায় নাম ও ঠিকানা এন্টি করা হয়নি। এন্টির বিষয়ে রাশেল উল্টো আমাকে হুমকি দিলে তাৎক্ষণিক গণমাধ্যম কর্মীর সহযোগিতায় নাম এন্টি করায়। কিন্তু আমার মেয়ে শিরিন ও তার বান্ধবী নাসরিনের জ্ঞান ফিরে ৩ঘন্টা পর।

পরে বিষয়টি নিয়ে বেশী চাপা-চাপি করলে সমস্যা হওয়ার ধমকি দেয় শিক্ষক রাসেল। ৯ এপ্রিলে ঘটে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন নীরব থাকায় আমি বেপরোয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তির দাবীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হয়েছি। কেননা আমি বাদীসহ আমার মেয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীর জীবন এখন হুমকি বা তুপের মুখে।

অভিযোগকারী শফিউল আরো জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলে মহোদয় বিষয়টি বিস্তারিত জানার জন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষকে দায়িত্ব অর্পন করেন। কিন্তু অদ্যবধি পর্যন্ত অভিযোগের কোন খোজঁ মিলেনি বলে দাবী অভিযোগকারী ছাত্রীর পিতার।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::