শিরোনাম :
বিভিন্নস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরলো ২০ প্রাণ মৃত্যু নিশ্চিত করতে পর পর দুটি গুলি করেন ওসি প্রদীপ দীর্ঘদিন পর অনুশীলনটাকে চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে মুমিনুলের বৈরুতে নেতাদের ওপর ক্ষোভ বাড়লেও উদ্ধার কাজে এসেছে গতি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কৃষি-গ্রাজুয়েট তৈরি করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী লাইসেন্সবিহীন হাসপাতাল-ক্লিনিকের তথ্য চেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অবশেষে করোনামুক্ত অভিষেক, এক মাস পর হাসপাতাল ছাড়লেন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের অনুসন্ধানে প্রবাসীদের সহযোগীতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনহা হত্যা মামলার ৪ আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ, ৩ আসামীকে এখনো রিমান্ডে নেয়নি কেরালার বিমান দুর্ঘটনায় অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেল এক পরিবার
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

গর্ভেই সংক্রামিত সদ্যজাত, ভারতে প্রথম ঘটল করোনার ভার্টিকাল ট্রান্সমিশন

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: July 28, 2020 6:22 am | সম্পাদনা: July 28, 2020 6:22 am


পুনে, ২৮ জুলাই – করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ কীভাবে সংক্রামিত হচ্ছে, সেই বিষয়ে গবেষণা চলছে এখনও। প্রত্যেকদিনই উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এর আগেও মায়ের গর্ভে থেকে সন্তানের শরীরে করোনা সংক্রমণের ঘটনা শোনা গিয়েছে, তবে এবার ভারতে প্রথমবার এই ধরনের ঘটনা ঘটল। পুনের এক হাসপাতালে মায়ের থেকে করোনা সংক্রমণ হল গর্ভজাত সন্তানের।

পুনের সাসুন জেনারেল হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটেছে। স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে নতুন আশঙ্কা।

এই ধরনের সংক্রমণকে বলা হচ্ছে ‘ভার্টিক্যাল ট্রান্সমিশন।’ অর্থাৎ সন্তান যখন ইউটেরাসে রয়েছে, তখন মা যদি করোনা আক্রান্ত হন তাহলে মায়ের থেকে প্লাসেন্টার দ্বারা সন্তানের শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। প্লাসেন্টা হল এমন একটি অংশ যা গর্ভাবস্থায় তৈরি হয় সন্তানকে অক্সিজেন ও পুষ্টি জোগানির জন্য।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদীর অযোধ্যা সফরকে সংবিধানের শপথের বিরুদ্ধে বলে বিরোধিতায় সরব হলেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি

সাসুন জেনারেল হাসপাতালের শিশুবিভাগের এক চিকিৎসক ড. আরতি কিনিকার সংবাদসংস্থাকে বলেন, সাধারণত সন্তান মায়ের থেকে সংক্রামিত হয় জন্মের পর। অর্থাৎ মা আক্রান্ত থাকলে, বুকের দুধ খেতে গিয়ে বা অন্য কোনও ভাবে সংস্পর্শে আসলে করোনা আক্রান্ত হতে পারে সন্তান। কিন্তু ভার্টিক্যাল ট্রান্সমিশনের অর্থ হল, প্লাসেন্টার দ্বারা গর্ভের মধ্যেই সংক্রমণ। মায়ের উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক তাঁর থেকে সন্তানের শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। চিকিৎসক জানিয়েছেন সন্তানের জন্মের সপ্তাহ খানেক আগে থেকে মায়ের শরীরে উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। তাই এই ঘটনা চিকিৎসকদের কাছে চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছিল।

আইসিএমআরের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলাকে সন্তানের জন্ম দেওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে করোনা টেস্ট করতে হয়। এক্ষেত্রেও করা হয়েছিল। কিন্তু মায়ের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। সন্তানের জন্মের পর পরীক্ষা করলে দেখা যায় তার শরীরে রয়েছে ভাইরাসের উপস্থিতি। ওই সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভয়ঙ্কর উপসর্গ দেখা দিয়েছিল বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

শিশুকন্যার জ্বর এসেছিল, এমনকি সাইটোকিন স্টরমও দেখা যায়, যাতে প্রচণ্ড প্রদাহ হয়। তাঁকে ইনটেনসিভ কেয়ারে রাখা হয়। ২ সপ্তাহ পর সে সুস্থ হয়। পরে মা ও সন্তান দু’জনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে তাঁদের দু’জনের শরীরেই অ্যান্টিবডি রয়েছে। চিকিৎসকেরা খতিয়ে দেখেছেন যে এটা ভার্টিকাল ট্রান্সমিশনের ঘটনা।

গত মে মাসের শেষের দিকে ওই সন্তানের জন্ম হয়। তিন সপ্তাহ পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয় মা ও সন্তানকে। এই চিকিৎসার বিষয়টি আন্তর্জাতিক পত্রিকায় প্রকাশ করার চেষ্টা করছেন ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

সূত্র : কলকাতা২৪
এন এইচ, ২৮ জুলাই




কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::