শিরোনাম :
উখিয়া প্রেসক্লাব নির্বাচনের চুড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ আলীকদমে শর্টবড়ি (চাঁদেরগাড়ী) মাইক্রো বাস মালিক সমবায় সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ঝিলংজা ইউনিয়ন যুবলীগের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত উখিয়ার আবদুর রহিম ইয়াবা নিয়ে র‍্যাবের হাতে আটক নাইট কোচে ডাকাতি: গ্রেপ্তারকৃত বাস চালক সহ তিনজনকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন মহেশখালী থেকে ছিনতাই হওয়া মটরসাইকেল উদ্ধার : গ্রেফতার-১ টেকনাফে ১০হাজার ইয়াবা বড়িসহ আটক-১ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিবেশ, পর্যটন ও উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ইয়াবা ও গাজাসহ আটক ২ উৎসবমুখর পরিবেশে উখিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৫:২১ অপরাহ্ন

কেন্দ্রীয় সম্পাদকের পদ হারিয়ে মুকুলের প্রতি ক্ষুব্ধ রাহুল

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

[ad_1]

নয়াদিল্লী, ২৬ সেপ্টেম্বর- ফের উসকে উঠল পুরনো লড়াই। তৃণমূল থেকে আগত মুকুল রায় (Mukul Roy) বনাম বিজেপির বহু পুরনো নেতা রাহুল সিনহার (Rahul Sinha) দ্বন্দ্ব এসে পড়ল প্রকাশ্যে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক থেকে বাদ পড়ে কারও নাম না করে দলের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দিলেন রাহুল সিনহা। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, ”তৃণমূল নেতা আসছেন, তাই তাঁকে সরতে হল। এতদিন ধরে দল করার এই পুরস্কার!”

শনিবারই সর্বভারতী স্তরে সংগঠনে রদবদল এনে নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP)। তাতে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদে বসানো হয়েছে মুকুল রায়কে। আর বোলপুরের প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা সর্বভারতীয় যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন।একই পদে এসেছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। উত্তরবঙ্গের জমি ধরে রাখতেই বিজেপির এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, উত্তরবঙ্গে থেকে প্রথম কেউ সংগঠনের এত গুরুত্বপদে পদ পেলেন। এর আগে রাহুল সিনহা ছিলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে।

আরও পড়ুন: বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন মুকুল রায়

এবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কোনও পদেই নেই রাহুলবাবু। তাঁর মতোই বাদ পড়েছেন দলের আরেক দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ নেতা রাম মাধব। নিজের পদ খুইয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাহুল সিনহা। তাঁর কথায়, “চল্লিশ বছর ধরে বিজেপির একজন সৈনিক হিসাবে দলের সেবা করে এসেছি। জন্মলগ্ন থেকে বিজেপির সেবা করার পুরস্কার এটাই যে একজন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আসছেন, তাই আমায় সরতে হবে। এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্যের কিছু হতে পারে না।” এই আক্ষেপ প্রকাশেই থেমে থাকেননি তিনি। রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে বললেন, ”এর বাইরে আর কিছু বলব না। যা বলার দশ-বারো দিনের মধ্যে বলব। আমার ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ঠিক করব।”

তাঁর বক্তব্যের এই সুর থেকে তৈরি হচ্ছে নানা জল্পনা। দলের উপর প্রবল ক্ষুব্ধ রাহুল সিনহার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক কী হতে চলেছে, তার আঁচ টের পাওয়ার চেষ্টায় রাজনৈতিক মহল। মুকুল-দিলীপের চোরা দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদিত। সেই দ্বন্দ্বের কথা যতই প্রকাশ্যে উড়িয়ে দিন তাঁরা উভয়েই, মোটেই তা মেটার নয়। বঙ্গ রাজনীতির সামান্য খোঁজখবর রাখা মানুষজনই তা বুঝতে পারেন। এদিকে আবার দিলীপ ঘোষ-রাহুল সিনহার সম্পর্কে যথেষ্ট শৈত্য আছে। ফলে বঙ্গ বিজেপিতে মুকুল-দিলীপ-রাহুল, এই ত্রিকোণ দ্বন্দ্বে একুশের আগে সংগঠনের অবস্থা কতটা আশাপ্রদ হবে, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছেই।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন
এন এইচ, ২৬ সেপ্টেম্বর



[ad_2]

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::