শিরোনাম :
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যোগদানে যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাগত সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ দেশের প্রতিটি সংগ্রামের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ২৩৪২৫ টাকা চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এই প্রথম প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা কক্ষ বরাদ্দ পেকুয়া কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে শেড নির্মাণ ক্ষতিগ্রস্ত দুইশত ব্যবসায়ীকে পুনর্বাসনের নিশ্চয়তা মহেশখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু সদর-রামুতে পানি সংকটে কৃষকদের হাহাকার, বাঁধ নির্মাণে নানা অনিয়ম দুদকের মামলায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর কারাগারে
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ১২:১২ অপরাহ্ন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় কঠোর জেলা প্রশাসন

এম.এ আজিজ রাসেল :

প্রকাশ: নভেম্বর ২৩, ২০২০ ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: নভেম্বর ২৩, ২০২০ ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকরা মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। স্থানীয়রাও এ ব্যাপারে উদাসীন। কেউই ব্যবহার করছে না মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা ও মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচারণার পাশাপাশি করা হচ্ছে জেল জরিমানা। করোনাভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাব্য সেকেন্ড ওয়েভ প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে কক্সসবাজার জেলা প্রশাসন।

গত রবিবার (২২ নভেম্বর) সকাল থেকে দিনব্যাপী লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী তিনটি পয়েন্টে (ভ্রাম্যমাণ আদালত) অভিযান পরিচালনা করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আল আমিন মো.পারভেজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসরামে ও চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানে ১৪ জনকে বিভিন্ন অংকে জরিমানা করা হয়েছে।

এসময় শহরের কলাতলী বীচ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান জাহিদ খান ১৭ টি মামলায় মোট ২,৩০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
সুগন্ধা বীচে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলাম মাস্ক না পরার দায়ে ০৭ জনকে মোট ১,৯০০ টাকা জরিমানা করেন। সৈকতের লাবণী বীচ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া সুলতানা। তিনি ১৮ টি মামলায় মোট ১,৮২০ টাকা অর্থদ- প্রদান করেন।

লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী তিনটি পয়েন্টে (ভ্রাম্যমাণ আদালত) অভিযান পরিচালনা করা হয় ৪২ টি মামলায় ৬ হাজার ২০ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়।

অভিযান পরিচালনার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) ইমরান জাহিদ খান বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষার্থে মাস্ক বাধ্যতামূলকের চলমান অভিযানে জেল-জরিমানার তুলনায় প্রচারণাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলাবাসী ও বেড়াতে আসা পর্যটকের নিরাপত্তায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আল আমিন মো. পারভেজ বলেন, একটি কার্যকর ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও সহজলভ্য হবার আগে পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সংক্রমনের সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় ব্যক্তিগত সতর্কতা তথা মাস্ক পরিধান করা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে জেলা প্রশাসনের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। নিজের ও দেশের স্বার্থে সচেতন হোন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করুন। পৌরসভার বাইরে বিভিন্ন উপজেলায়ও একযোগে পরিচালিত হয়েছে মোবাইল কোর্ট।

চকরিয়া উপজেলায় ১৩ টি মামলায় ১,৯০০ টাকা, কুতুবদিয়া উপজেলায় ৩১ জনকে ২৪৩০ টাকা এবং মহেশখালী উপজেলায় ১৬ জনকে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৪, ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট চলাকালে দ- প্রদানের পাশাপাশি স্বল্প সামর্থ্যের ব্যক্তিদের মধ্যে বিনামুল্যে মাস্ক বিতরণ এবং মাস্কবিহীন চলাচলকারী সকলকে মাস্ক ব্যবহার করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে জেলা প্রশাসন আরও কঠোর আইন প্রয়োগে বাধ্য হবে।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::