শিরোনাম :
নুরুল হক, ইদ্রিস ও বেলায়েতের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ, উচ্চ আদালতে যাচ্ছে ভুক্তভোগীরা ৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উখিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহারে হেলপ কক্সবাজারের সচেতনতা ক্যাম্পেইন চকরিয়ায় যাত্রীবেশে বাসে ডাকাতির ঘটনায় ৬ জন গ্রেফতার উখিয়ায় অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ, বিপুল পরিমাণ কাঠ জব্দ কক্সবাজার কারাগারে কয়েদির আত্মহত্যা মছ্লেহ উদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে টিএমসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শোক পেকুয়ার যুবক আফ্রিকায় ডাকাতের গুলিতে নিহত টেকনাফে ৬টি সোনার বার ও মিয়ানমারের ৯৫০ কিয়াট মুদ্রা উদ্ধার চকরিয়ার ডুলাহাজারায় পাহাড় কেটে মাটি লুট : দুই ডাম্পার জব্দ
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন

কমিউনিটি পুলিশের দরকার নেই-উখিয়ায় ব্রিফিংকালে ডিআইজি

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও ভয়ঙ্কর মাদক ইয়াবা পাচার রোধকল্পে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, উখিয়ার সীমান্ত এলাকাগুলোতে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য পাচার রোধে পুলিশের কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের তালিকা করে তাদের রেকর্ড চেক করা হবে এবং তাদের বর্তমান ও অতীত সব কিছু যাচাই করে কঠোর ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উখিয়া থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং কালে ডিআইজি আনোয়ার হোসেন এ কথা বলেন।

কক্সবাজারে সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন থেকে প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর অন্তর কক্সবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসবো। মাদকের জোন খ্যাত উখিয়া ও টেকনাফ থানাকে বিশেষ মনিটরিং করা হবে। একই সাথে অবৈধ অস্ত্র তৈরী ও সরবরাহ বন্ধে মহেশখালীতেও নজরদারি বাড়ানো হবে।

ডিআইজি আরও বলেন, পুরাতন সব টিমকে বদলী করা হয়েছে। দৃড় মনোবল নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে পুলিশের যে ভূমিকা আছে সেটি পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করবে নতুন টিম।

থানায় কোন দালাল ঘেঁষয়ে দেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে ডিআইজি সাংবাদিকদের বলেন, থানার কিনারায় কোন দালালকে আসতে সাহস করবেনা। দালালরা বিন্দু পরিমাণ ছাড় পাবে না। যদি কোন অনৈতিক প্রস্তাব নিয়ে কেউ আসে বা কেউ তদবির করতে আসে তবে তাদের আটক করা হবে।

কমিউনিটি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জানতে চাওয়া হলে ডিআইজি বলেন, এখন থেকে আর কোন কমিউনিটি পুলিশের প্রয়োজন নেই। কমিউনিটির সকল নাগরিক কমিউনিটি পুলিশের সদস্য। অপরাধ দমনে ও মাদক নির্মূলে সকল নাগরিক পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভাল কাজ করতে হলে ভাল লোক দরকার। সমাজে যাদের গ্রহণযোগ্যতা নেই, টাউট-বাটপার, চোরাচালানি, মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, পুলিশের দালাল, থানায় গিয়ে যারা দালালি করে এমন যারা কমিউনিটি পুলিশে যুক্ত আছে তাদের বিরুদ্ধেও আরও কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিউনিটি পুলিশে আগাছা বেশী হলে প্রয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং পুরো ইউনিট বাদ দেওয়া হবে।

এ সময় কক্সবাজারের নবাগত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) শাকিল আহমেদ ও উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ সঞ্জুর মোরশেদসহ সকল অফিসার গণ উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::