তারিখ: বুধবার, ২২শে মে, ২০১৯ ইং, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share:

সোয়েব সাঈদ::

২৬ এপ্রিল কমিউনিটি ক্লিনিক দিবস। এবার ২৬ এপ্রিল শুক্রবার সরকারি ছুটি হ্ওয়ায় দেশব্যাপী আজ ২৮ এপ্রিল দিবসটি সফলভাবে উদযাপনের সিদ্বান্ত নেয় সিবিএইচসি। দেশের প্রত্যন্তা লে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে গ্রামীন জনপদে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব একটি প্রকল্পের নাম কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিকের যাত্রা শুরু। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং তৃণমূলের জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প গ্রহণ করেন। এই প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৬-২০০১ শাসনামলে তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সারাদেশে ১০ হাজার ৭২৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত হয় এবং ৮ হাজারটি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু হয়। সরকার পরিবর্তন হলে মাঝখানে (২০০১-২০০৮)কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ থাকে। ২০০৯ সাল থেকে আবার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু করা হয় রিভাইটালাইজেসন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ প্রকল্প নামে। এ প্রকল্প জুন ২০১৪ সালে শেষ হয়ে পুন মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৬ পর্যন্ত চলে এবং পরর্বতীতে অপারেশন প্ল্যান কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার নামে (২০১৭-২০২২) চলমান আছে কিন্তু এরই মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট বিল-২০১৮ পাশ করে অপারেশন প্ল্যান থেকে কমিউনিটি ক্লিনিক কে ট্রাস্ট র্বোডের মাধ্যমে পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়ে প্রক্রিয়াধিন আছে। ২০১১ সাল থেকে আগস্ট ২০১৭ পর্যন্ত নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হয় ৩ হাজার ১৩৮টি। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৮৬১টি। ২০২২ সালের মধ্যে নতুন আরো ১০২৯ টি সহ সারাদেশে ১৭ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ সংক্রান্ত সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিবিএইচসি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুভব করেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের তুলনায় জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকায় গ্রাম পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ করা জরুরি। তা না হলে দেশের আপামর জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া সম্ভব নয়। তাই প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের স্বাস্থ্যসেবাকে বিস্তৃত করার জন্য পল্লী এলাকার প্রতি ৬ হাজার মানুষের জন্য একটি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে একটি কেন্দ্র থেকে সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা। এই উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ‘স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেক্টর কার্যক্রম’-এর আওতায় ১৯৯৮ সালে কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালের ২৬ এপ্রিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়নের গিমাডাঙায় দেশের প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকের পথচলা শুরু হয়। আর ২০১১ সালে কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়োগ দেওয়া হয় একজন করে সিএইচসিপি। স্বাস্থ্য খাতে জাতিসংঘ প্রণীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে এগিয়ে।
সারাদেশে ১৭ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের লক্ষ্যে চতুর্থবারের এ কর্মসূচি চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে।কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সিএইচসিপি প্রদত্ত সেবাসমূহ হলো মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য পরিচর্যা, শিশু রোগের সমন্বিত চিকিৎসা সেবা,প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা,ইপিআই বা টিকা, এআরআই-এর চিকিৎসা,সদ্য বিবাহিতা এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের নিবন্ধীকরণ, সম্ভাব্য প্রসব তারিখ নিরূপণ ও সংরক্ষণ, পুষ্টি শিক্ষা ও সম্পূরক মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট প্রদান,সদ্য প্রসূতি মা, মারাত্মক পুষ্টিহীন ও দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের ‘ভিটামিন-এ’ ক্যাপসুল প্রদান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে শিক্ষা ও পরামর্শ, সাধারণ রোগ ও জখমের চিকিৎসা, বয়স্কদের লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য শিক্ষা,শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের শনাক্ত ও রেফার করা, জরুরি ও জটিল রোগী উচ্চতর পর্যায়ে রেফারের মাধ্যমে কার্যকরী রেফারেল পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করা ও সেবাসমূহের তথ্য যথাযথভাবে সংশ্লিষ্টদের প্রেরণ করে। দেশের গ্রাম পর্যায়ে ক্লিনিকের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৫৮ কোটির অধিক ভিজিটর সেবা লাভ করেছেন যাদের মধ্যে ৮০ শতাংশই নারী ও শিশু।
দেশে- বিদেশে আজ রোল মডেল কমিউনিটি ক্লিনিক। দেশে রোগী সেবা পেয়ে সন্তুষ্ট, সরকার পাচ্ছে পুরস্কার কিন্তু আট বছর ধরে কর্তৃপক্ষের দেয়া আশ্বাসের বাস্তবায়ন না হ্ওয়ায় দিন দিন মানসিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে দেশের প্রায় চৌদ্দ হাজার সিএইচসিপি। নিয়মিত বেতন ভাতা পায় না। একই বেতনে চাকুরি করছে র্দীঘ আট বছর। নেই কোন ইনক্রিমেন্ট। পাচ্ছে না ওপির সুবিধাও। ৪র্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি (এইচপিএনএসডিপি)’র (২০১৭-২০২২) অধীন অপারেশনাল প্ল্যানে(ওপিতে) সিএইচসিপিদের ইনক্রিমেন্ট ও ধাপে ধাপে রাজস্ব খাতে চাকুরী স্থানান্থরের র্নিদেশনাও রয়েছে।কিন্তু অধ্যাবধি কোন কিছুর বাস্তবায়ন হয়নি, বারংবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সিএইচসিপিদের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সনে সিএইচসিপিদের চাকরী স্থায়ী করণ এর নীতিগত সিদ্বান্তের কথা চিঠির মাধ্যমে সিভিল র্সাজনদের জানান তৎকালীন পরিচালক প্রশাসন ডাঃ মোঃ শাহন্ওেয়াজ।আবার ২২ শে এপ্রিল ২০১৪ সনে তৎকালিন প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ডাঃ মাখদুমা নার্গিস চাকরি রাজস্বখাতে স্থানান্থরের নিমিত্তে সিএইচসিপিদের সার্ভিস বুক খোলা ও র্বাষিক গোপনীয় প্রতিবেদন পাঠানোর কথা বলে চিঠির পাঠান সিভিল র্সাজনদের নিকট। ফলে সিএইচসিপিরা চাকুরী রাজস্বের স্বপ্ন দেখেছিলো। গত র্দীঘ আট বছরে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প অফিস স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়,জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিএইচসিপিদের চাকুরী রাজস্বকরণের বিষয়ের আলোকে কয়েক দফা চিঠি চালাচালি করে। এরই অংশ হিসাবে গত ১৬.০৬.২০১৩ তারিখ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন ৩ অধিশাখা, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা স্মারক নং- ৪৫.১৭৪.০১৫.০১০০.০০১.২০১১-২১৬ এ রিভাইটালাইজেসন অব কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ (আরসিএইসিআইবি)শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)দেরকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর সম্পর্কিত প্রস্তাব প্রেরণ করেন। গত তারিখ ১৯/০৯/২০১৩, স্বাস্থ্য অধীদপ্তর, মহাখালী ঢাকা, স্মারক নং স্বা:অধি:/প্রশা-৩/বিবিধ-৩/২০০৮/৪৬৬৮ এ উলেখ করা হয় যে সিএইচসিপিদের চাকুরী স্থায়ী করনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তা প্রক্রিয়াধীন আছে। এর পর গত ১৭/০৪/২০১৪ ইং তারিখে স্বারক নং- আরসিএইচসিআইবি/প্রশা-১৩২/২০১২/৬৫৪ এ সিএইচসিপিদের চাকুরী বহি: খুলতে বলা হয়, এবং গত ২২/০৪/২০১৪ ইং তারিখে স্বারক নং-আরসিএইচসিআইবি/সিসি/সার্কুলার-১২৪/৬৭১ এ সিএইচসিপিদের হাল নাগাদ বার্ষিক/বিশেষ গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) চাওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত তারিখ ১৯/০৬/২০১৪ স্মারক নং- আরসিএইচসিআইবি/কন:/শৃঙ্খলা-৯৭/২০১২/৯২৭ এ উলেখ করা হয় যে, কোন সিএইচসিপি অপরাধের দায়ে বা কোন মোকাদ্দমায় চার্জশীটভুক্ত হলে তা সার্ভিস বহিতে লিপিবদ্ধ করণ এবং তার চাকুরী রাজস্ব খাতে স্থানান্তর না হওয়া প্রসঙ্গে নোটিস প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূলধারার সাথে সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে জুলাই ২০১১ হতে আরসিএইসিআইবি প্রকল্পের পাশাপাশি ৩য় স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর উন্নয়ন কর্মসূচি (এইচপিএনএসডিপি)এর কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার (সিবিএইচসি) অপারেশনাল পান এর মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে, যা ডিসেম্বর ২০১৬ তে সমাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ৪র্থ সেক্টর কর্মসূচীতে কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার (সিবিএইচসি) অপারেশনাল পান জানুয়ারী ২০১৭ হতে জুন ২০২২ মেয়াদে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। জুন/২০১৭ইং হতে অপারেশন প্যানভুক্ত করে কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিকের র্কাযক্রম চালু রাখা হয়। কিন্তু নতুন প্রকল্প চালুর আগেই অধ্যাবধি চাকুরী রাজস্ব না হ্ওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সিএইচসিপিদের অনেকে। গত বছর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সাড়ে ১৩ হাজার সিএইচসিপিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘চতুর্থ স্বাস্থ্য জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি (এইচপিএনএসপি)’ প্রকল্পে স্থানান্তর করা হয়। তাদেরকে আগামী ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এ প্রকল্পে স্থানান্তর করে গত ১৫ মে,২০১৭ চিঠি দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু তাদের নতুন প্রকল্পে স্থানান্তরের আগেই রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে কমিউনিটি ক্লিনিকে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের অনুলিপি বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর-২০১৭) প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মো. ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া। যা বাস্তবায়ন করার জন্য গত ১৮/০১/২০১৮ খ্রী তারিখে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার এ্যাসেসিয়েশন (বিসিএইচসিপিএ), দাবী আদায় বাস্তবায়ন কমিটি ২০/০১/২০১৮ খ্রী তারিখ হতে কর্মসুচী ঘোষনা করে। ঘোষিত কর্মসুচী বাস্তবায়ন করে রিক্ত হস্তে কমিউনিটি বেইজ হেলথ কেয়ার সিবিএইচসি স্মারক নং- স্বা:অধি/সিবিএইচসি/প্রশাসন-২২/২০১৮/৩১৭ তারিখ ২৭/০২/২০১৮ ইং মোতাবেক ০৩/০৩/২০১৮ খ্রী সিএইচসিপিরা কর্মে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। আর যোক্তিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে স্মারক নং স্বা:অধি/সিবিএইচসি/প্রশাসন/সিএইচসিপি/শৃৃঙ্খলা ১৬/২০১৮/২১৩ তারিখ ০৩/০২/২০১৮ ইং মোতাবেক আটজন সিএইচসিপিকে প্রাথমিক বহিষ্কার করে। কারণ র্দশানো নোটিশ প্রেরণ করলে লিখিত জবাব দাখিল করলেও তার কোন সুরাহা হয়নি র্দীঘ সময় ধরে।
দেশে ন্যায্য অধিকারের জন্য পেশাজীবীদের আন্দোলন নতুন কিছু নয়। কিন্তু একটি মহল সিএইচসিপিদের ন্যায্য অধিকার থেকে বি ত করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম দমানোর জন্য সাসপেন্ডকে কৌশল হিসাবে ব্যবহার করছে। র্দীঘদিনের দাবী পুরণ না হওয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবায় সিএইচসিপিগন কর্মস্থলে ফিরে পূর্বের ন্যায় আন্তরিকভাবে মনোনিবেশ করতে পারছেনা। চাকুরী রাজস্বের আশ্বাসের বাস্তবায়ন না হওয়াতে হতাশ সিএইচসিপি পরিবার। পরে সরকার দশম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনে কমিউনিটি ক্লিনিককে স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে রুপ দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ’্য সহায়তা ট্রাস্ট-২০১৮ বিল পাশ করে। এতে কর্মীদের সংবিধিবদ্ধ সংস্থার ন্যায় চাকুরী স্থাায়ীকরণ,বেতন বৃদ্ধি,পদোন্নতি,গ্র্যাচুইটি ্ও অবসর ভাতা প্রবিধান প্রণয়ন পূর্বক সকল সুবধিা প্রদানের কথা প্রকাশিত গেজেটে রয়েছে। ট্রাস্ট র্বোড গঠন ও গেজেট প্রকাশের র্দীঘ সাত মাস অতিবাহিত হল্ওে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এখন ও প্রবিধান প্রস্তুত করে প্রকাশ করতে পারেনি। তাই প্রত্যন্ত অ লে জনগোষ্ঠির স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের কারিগর খ্যাত কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা স্বত্ব্ওে নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছে না, নেই ইনক্রিমেন্টও। সিএইচসিপিরা তাদের চাকুরী রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত সহ বকেয়া ইনক্রিমেন্ট, ১১ তম গ্রেড, তিন স্থরের পদোন্নতি ও ইন সার্ভিস ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ প্রদান দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়েছেন। এসব সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা। ফলে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান কমার আশংকা করছেন সচেতন মহল। দেশের বৃৎত্তর জনগোষ্ঠির স্বার্থে এ পরিস্থিতি সহসা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া সরকারের জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে। অন্যতায় ভবিষ্যতে এসডিজি অর্জনও বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে।

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::