শিরোনাম :
বাঁধ মেরামতে স্বস্তি পাচ্ছে কুতুবদিয়ার মানুষ কক্সবাজারে স্মার্ট ফোনের বাজার শুল্কফাঁকিতে আনা অবৈধ মোবাইলের দখলে কক্সবাজারে অর্ধশতাধিক সেবা প্রার্থীকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বিতরণ করলেন পুলিশ সুপার রামু থানা পরিদর্শন ও মাস্ক বিতরণ করলেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ সংসদীয় কমিটির সদস্য এমপি শাওন বিবিসি ১০০ নারীর তালিকায় রামুর মেয়ে রিমা সুলতানা রিমু কক্সবাজারে ৫ রেস্টুরেন্টেকে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা কক্সবাজারে নারীর পেটে মিলল ৩ হাজার ইয়াবা : ডিএনসি‘র পৃথক অভিযানে আটক-৪ টেকনাফে ২০হাজার ইয়াবা উদ্ধার করল বিজিবি পেকুয়ায় ব্যক্তিগত অর্থায়নে কালভার্ট ও সড়ক সংস্কার
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১১:৩৪ অপরাহ্ন

কক্সবাজার বিমানবন্দরে আটক পাকিস্তানি নাগরিককে ঢাকায় প্রেরণ

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: মে ৮, ২০১৮ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: মে ৮, ২০১৮ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ

কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে গত সোমবার সন্ধ্যায় আটক করা তিন পাকিস্তানি নাগরিককে মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিন পাকিস্তানিকে কক্সবাজারে দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা মারকাজুল মুসলেমিন নামের একটি এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা মুফতি রিয়াজ উদ্দিন খান নামের এক ব্যক্তিসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার তাঁদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবারই ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে কক্সবাজার আসেন ওই পাকিস্তানিরা। আটক করার পর তাঁদের গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পাকিস্তানিরা হচ্ছেন মোহাম্মদ আরশাদ (৫০), আসাদ-উর-রশিদ (২৭) ও শহীদ হাফিজ (৪৫)। তাঁদের মধ্যে প্রথম দুজন হংকংয়ের নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিদেশি নাগরিকদের বিশেষ সেবায় নিয়োজিত পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম জানান, আটক পাকিস্তানি এই তিন নাগরিক পাকিস্তান থেকে সরাসরি ঢাকায় না এসে প্রথমে হংকংয়ে যান। ওখান থেকে তাঁরা গত রবিবার ঢাকায় পৌঁছেন। এরপর তাঁরা এক মাসের ট্যুরিস্ট ভিসা সংগ্রহ করেন। সোমবারই তাঁরা ঢাকা থেকে কক্সবাজার চলে আসেন।

পুলিশ জানায়, প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা বিভিন্ন রকমের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন। তাঁরা বলেন, কক্সবাজারে আত্মীয়ের বাড়ি রয়েছে। বাস্তবে এ রকম সঠিক ঠিকানা পুলিশকে জানাতে পারেননি তাঁরা। পরে পুলিশকে জানানো হয়, তাঁরা রোহিঙ্গা শিবির দেখতে এসেছেন। তাঁদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় তাঁদের ক্যাম্পের দিকে যেতে দেয়নি পুলিশ।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন জানান, আটক পাকিস্তানিদের মঙ্গলবার সকালেই কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নভোএয়ার বিমানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানি তিন নাগরিককে বহন করার জন্য একটি অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে হাজির হয়েছিলেন মুফতি রিয়াজ উদ্দিন খান নামের একজন মাওলানা। পুলিশ সেই অ্যাম্বুল্যান্সসহ মুফতি ও অন্য চারজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে।

খুলনার খানজাহান আলী থানার শিরোমণি এলাকার খান মতিয়ার রহমানের ছেলে মুফতি রিয়াজ উদ্দিন খান মারকাজুল মুসলেমিন নামের একটি এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাকিস্তানিদের রাখাসহ তাঁদের দেখভাল করার জন্য সফরসঙ্গী হিসেবে ঠিক করা হয়।

গোয়েন্দা কর্মীরা জানিয়েছেন, তাঁরা পাকিস্তানি নাগরিকদের রোহিঙ্গা শিবিরে আসা-যাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। অভিযোগ রয়েছে, কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে প্রায়ই রোহিঙ্গাদের মধ্যে নগদ টাকা বিলি করে পাকিস্তানি নাগরিকরা।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::