শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

কক্সবাজারে ধর্ষণের ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কক্সবাজারে পর্যটককে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। এরইমধ্যে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। শিগগিরই তাদের গ্রেফতার করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বরিশালের লঞ্চ দুর্ঘটনার কারণ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, নিশ্চয়ই প্রকৃত কারণ উদঘাটিত হবে।’

সম্মেলনের শুরুতে ঝালকাঠিতে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর দেশে। এখানে কোনো উসকানি দিয়ে লাভ হবে না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ হবে। এ দেশ সবার। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ থাকবে। কোনো শক্তি বাংলাদেশকে এ জায়গা থেকে সরাতে পারবে না। সবাই এখানে বাংলাদেশি এবং আমরা সবাই বাঙালি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বড়দিনে যেমন আমরা সবাই একত্রিত হই, তেমনই পূজার সময়েও আমরা একত্রিত হই। ঈদের সময়েও একই চিত্র দেখা যায় আমাদের দেশে। এছাড়াও আমরা বৌদ্ধ পূর্ণিমাতে সবাই সবার আনন্দ ভাগাভাগি করি। এটাই বাংলাদেশ। হাজার বছর পেছনে তাকালেও একই দৃশ্য দেখা যাবে। এজন্যই আমরা দুর্বার গতিতে সম্মুখে চলছি।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, ‘ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব সবার। উভয় দেশ শুধু ইতিহাস-সংস্কৃতিই ভাগাভাগি করে না, ধর্মনিরপেক্ষতা, পারস্পরিক সুযোগ-সুবিধাও ভাগাভাগি করে। ভারত সবসময় বাংলাদেশকে সমর্থন করেছে এবং করে যাবে।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত। তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বের জায়গা দিন দিন আরও দৃঢ় হবে। তবে এখনও দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। তিস্তা নদীর পানির সমস্যা সমাধান করতে পারলে দুই দেশের জনগণই লাভবান হবে। দেশে অসাম্প্রদায়িকতা বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের মাঠে থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জি। এতে বক্তব্য দেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জে এল ভৌমিক, সদস্য সচিব চন্দ্রনাথ পোদ্দারসহ অন্যরা।


আরো খবর: