তারিখ: সোমবার, ১৭ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, ৩রা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share:

অনেকেই মনে করেন, ওজন বৃদ্ধি কিংবা স্থূলতা হয় ইচ্ছাশক্তির ঘাটতির কারণে। এটা পুরোপুর ঠিক নয়। মুলত এটা হয় জীবনযাপন পদ্ধতি এবং খাদ্যাভাসের কারণে। তবে কেউ কেউ খাদ্যাভাস পরিবর্তন করেও ওজন কমাতে পারেন না। এর সঙ্গে বংশগত কারণ এবং হরমোনেরও যোগসূত্র রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, স্থূলতার সঙ্গে বংশগত কারণের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। রোগা বাবা-মায়ের তুলনায় অতিরিক্ত মোটা বাবা-মায়ের সন্তানদের স্থূলতায় ভোগার সম্ভাবনা প্রবল। তবে স্থূলতায় ভোগা বাবা-মায়ের সন্তানরা অনেকক্ষেত্রে খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার কিংবা ফাষ্ট ফুড খেতে সুস্বাদু হওয়ায় অনেকেই এই ধরনের খাবার বেশি পছন্দ করেন। তবে এগুলোতে থাকা স্বাদ বর্ধককারী নানা উপাদান দ্রুত ওজন বাড়ায়।

অতিরিক্ত অ্যালকোহল, নিকোটিন, ক্যাফাইন জাতীয় খাবারও ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

বেশিরভাগ শপিং মলেই আজকাল ফাস্ট ফুড পাওয়া যায়। আর যারা শপিং করতে ভালোবাসেন তারা ঘন ঘন এইসব খাবারের দোকানে খাবার খান। এমনকী শিশুদেরও এসব খাবার খেতে উৎসাহিত করেন। এই ধরনের প্রবণতাও ওজন বাড়ায়।

অনেক ওষুধও স্থূলতার কারণ। যেমন-বিষন্নতা কমাতে, ডায়াবেটিস কিংবা অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে যেসব ওষুধ ব্যবহার করা হয় সেগুলোও অনেক সময় ওজন বাড়ানোর সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

লেপটিন নামের এক ধরনের হরমোন স্থূলতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এটা শরীরে থাকা ফ্যাট সেলের কারণে সৃষ্টি হয়। স্থূলতায় ভোগা বেশিরভাগ মানুষের শরীরে লেপটিন হরমোনের পরিমাণ বেশি থাকে।

চিনি ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ। অতিরিক্ত চিনি ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

যারা ওজন সমস্যায় ভূগছেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা কমানোর জন্য তারা সঠিক তথ্য পান না। অনেকসময় ভুল তথ্যের কারণেও অনেকে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। সূত্র : হেলথলাইন

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::