শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

এবার কক্সবাজারে ছাত্রীকে জিম্মি করে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১

কক্সবাজারে কলাতলীতে আবাসিক হোটেলে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুইদিন ধরে জিম্মি রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৮ই ডিসেম্বর ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও এখনও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ।

কক্সবাজারে আবারও ধর্ষণের ঘটনা। এবার কলাতলীর মামস্ আবাসিক হোটেলে এক স্কুলছাত্রীকে দুইদিন জিম্মি করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

ওই ছাত্রী জানিয়েছে, গেল ১৩ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পরীক্ষার ফলাফল জেনে বাড়ি ফেরার পথে উত্তর নুনিয়ারছড়ার মোহাম্মদ আশিকের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে অপহরণ করে। পরে ১৫ই ডিসেম্বর রাতে একটি গাড়ীতে করে তাকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দেয়া হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসা নেন তিনি। পরে ১৮ই ডিসেম্বর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন। তবে এক সপ্তাহেও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। উল্টো আসামিরা হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর পরিবারের।

ভূক্তভোগী ছাত্রীর স্বজনরা জানায়, তারা আমাদেরকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত আশিকের ভাবি শাহিনা আকতার দাবি করেন, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা বিয়ে করতে চাইলেও ওই ছাত্রীর পরিবার রাজি নয়।

মামস্ আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার জানিয়েছেন, ১৩ থেকে ১৫ই ডিসেম্বর এ নামের কেউ তাদের হোটেলে ছিলো না। হোটেলটিতে সিসিটিভি থাকলেও ওই তারিখের ফুটেজ ডিলেট হয়ে গেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


আরো খবর: