শিরোনাম ::
সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত সীমান্তে গুলির শব্দ থামছে না
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

এক বছর আগে অপহৃত রোহিঙ্গা নেতার লাশ উদ্ধার!

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১

উখিয়া উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক বছর আগে অপহৃত সৈয়দ আমীন (৪০) নামের এক রোহিঙ্গা মাঝির লাশ একটি বাড়ির মেঝে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক পুলিশ সুপার (এসপি) সিহাব কায়সার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

এ ঘটনায় তিন জনকে আটক করা হয়েছে।

এসপি সিহাব কায়সার জানান, গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্যাম্প-১৪-এর ইনচার্জসহ (সিআইসি) থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ইয়াকুব মাঝির ঘর থেকে সৈয়দ আমীনের লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে তার স্ত্রী পরনে থাকা কাপড়, বেল্ট ও মাথার চুল দেখে নিজের স্বামীর লাশ বলে শনাক্ত করেন।

আটক তিন জন হলেন, উখিয়ার হাকিমপাড়ার ক্যাম্প-১৪ এর বাসিন্দা মো. ইসলাম (২২), আবদুল মোন্নাফ (২৬) ও মো. ইলিয়াস (২৮)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উখিয়ার হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৪-এর ই/৩ ব্লকে মাঝি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে ব্লক রেইড পরিচালনা করে গতকাল শনিবার তিন রোহিঙ্গা দুষ্কৃতকারীকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা স্বীকার করেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে চাকমারকুল ক্যাম্প-২১-এর সি/৪ ব্লকের সাব-মাঝি সৈয়দ আমীনকে অপহরণ করে ক্যাম্প-১৪-তে নিয়ে গিয়েছিলেন তারা।
অপহরণের পর তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে ৮০ হাজার টাকা দাবি করেন তারা। পরে ২০ থেকে ২৫ জন দুষ্কৃতকারী মিলে তাকে হত্যার পর ক্যাম্প-১৪ এর সাবেক মাঝি ইয়াকুবের পরিত্যক্ত ঘরের মেঝেতে লাশ পুঁতে রাখে।

এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসপি সিহাব কায়সার।


আরো খবর: