মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

উখিয়া থানায় মামলা নিয়ে চলছে টাকার ব্যাণিজ্য : হয়রানী হচ্ছে নিরহ লোক

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুন ২, ২০১৮ ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুন ২, ২০১৮ ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ

ফারুক আহমদ,উখিয়া ::
উখিয়া থানায় মামলা দায়েরের নামে চলছে টাকার ব্যাণিজ্যের খেলা। শর্তসাপেক্ষে মোটা অংকের টাকা নিয়ে দায়ের কৃত মামলায় আসামী তালিকায় জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নিরহ ব্যক্তিদের। এতে করে সাজানো মামলার শিকার হয়ে পুলিশের ভয়ে ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে নিরাপরাদ লোকদের। এ সব অনৈতিক কর্মকান্ড বিষয়ে তদন্ত করার জন্য পুলিশ সুপারের নিকট দাবী জানিয়েছেন নিরহ গ্রামবাসীরা।
অভিযোগে প্রকাশ, উখিয়া থানার গত ৩০ মে দায়েরকৃত -৪৯ নং ১টি মামলা নিয়ে এলাকার সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত মামলার ১নং আসামী জালিয়া পালং ইউনিয়নের ইনানীস্থ মোহাম্মদ শফির বিল গ্রামের খলিলুর রহমানের পুত্র বদি আলম(৪২) সংঘটিত ঘটনার সর্ম্পকে কিছুই জানেনা। এর পরও তিনি আসামী। এছাড়াও ২নং আসামী একই এলাকার মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে বাদশা মিয়া (৫০) কে মামলা রুজু করার আগেই কৌশলে থানায় ডেকে এনে পুলিশ তাকে হাজতে আটক রাখে। একদিন পর দায়েরকৃত মামলায় আসামী দেখিয়ে তাকে কোর্টে সোর্পদ করা হয়।
জানা যায়, ইনানী গ্রামের মৃত রশিদ আহদের পুত্র নুরুল আমিন (৩৪) বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামালা নং-৪৯ তারিখ ৩০-০৫-২০১৮। এতে আসামী করা হয় ৪ জন সহ বেশ কয়েক জন অজ্ঞাত নামা ব্যক্তির বিরুদ্বে। বাদী দায়েরকৃত মামলায় উল্লেখ করেছে গত ৪ মে কোর্টবাজার পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় তাকে মারধর পূর্বক নগদ টাকা ও মূল্যবান কাগজ পত্র ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি স্ট্যাডার্স নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে র্তক-বির্তক ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনা নিয়ে উখিয়া থানায় ওই সময়ে নুরুল আমিন বাদী হয়ে এজহার দায়ের করেছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় এজহারটি থানায় মামলা হিসাবে আর রুজু হয়নি।অথচ উক্ত এজহারে বদিউল আলম ও বাদশা মিয়ার নাম ছিলনা।
অভিযোগে প্রকাশ, ইনানী শফির বিলে মেট্রো গ্রুপের সাথে বাদশা মিয়া ও বদিউল আলমের সাথে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এলাকা বাসীর মতে নুরুল আমিনকে বাদী বানিয়ে মেট্রো গ্রুপ মোটা অংকের টাকা দিয়ে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে দায়েরকৃত মামলায় আসামীর তালিকায় বদিউল আলম ও বাদশা মিয়ার নাম অর্ন্তভূক্ত করা হয়।
মামলার শিকার বদিউল আলম অভিযোগ করে বলেন, কোথায় কোন সময় কার সাথে কি নিয়ে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে সে সর্ম্পকে তিনি কিছুই জানেনা। স্থানীয় ভাবে জায়গা জমির বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ গং প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে আমাকে হয়রানী করার উদ্যেশে অহেতুক মামলায় আসামী করা হয়েছে। মোটা অংকের ব্যাণিজের মাধ্যমে মামলায় রুজু করে নিরহ ব্যাক্তিদেরকে আসামী করার বিষয় নিরপেক্ষ তদন্ত করলে ঘটনার আসল রহস্য বের হয়ে আসবে বলে এমন দাবী সচেতন নাগরিক সমাজের।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::