শিরোনাম :
জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবীকে রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব স্বপ্নের পদ্মাসেতুতে ট্রেন চলবে ২০২১ সালে: রেলমন্ত্রী ভারতে নিষিদ্ধ হচ্ছে জাকির নায়েকের পিস টিভি ও ইউটিউব চ্যানেল রাশিয়া নভেম্বরে বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দিতে চায় দুদকের বারবার জিজ্ঞাসাবাদের কারণ জানালেনতাফসির আউয়াল অনলাইন ক্যাসিনোর মূলহোতা সেলিমের বিরুদ্ধে সিআইডির চার্জশিট সুয়ারেজকে বিক্রি করে দিচ্ছে বার্সা করোনায় সুস্থতার হার ৭৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভারত সীমান্তে যাওয়ার আগে প্রাণভয়ে হাউহাউ করে কাঁদছে চিনা সেনা! ভাইরাল ভিডিও মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় হতাহতদের পৌনে ২ কোটি টাকা সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

উখিয়ার রুমখাঁ হাজী পাড়া মসজিদের নামে সংগ্রহকৃত অর্থ তছরুপের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: জুলাই ৩, ২০১৮ ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: জুলাই ৩, ২০১৮ ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক, তারিখ: ০৩-০৭-১৮ইং
উখিয়ার রুমখাঁ হাজী পাড়া বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ প্রতিষ্টতার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। মৌলানা আমির হোসেন এসব সংগ্রহ কৃত অনুদানের অর্থ ব্যয় ও খরচ নিয়ে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ ফুঁেস উঠেছে। এলাকাবাসীরা এ ব্যাপারে তদন্ত দাবী করেছেন।
উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের হাজী পাড়া গ্রামের মুসল্লি নবী হোসন,আমির হোছাইন ও শফি আলম জানান, ২০০৬ সালে হাজী পাড়া গ্রামের বয়তুশ শরফ জামে মসজিদ প্রতিষ্টার উদ্দ্যেগ নেওয়া হয়। এতে দায়িত্ব দেওয়া হয় মৌলানা আমির হোসনকে। মসজিদটি নির্মাণের জন্য গ্রমবাসী ও বিভিন্ন ব্যক্তির অনুদান ও চাঁদার অর্থ প্রদান করে। এমনকি মৌলানা আমির হোসেনকে উক্ত মসজিদের জন্য প্রতি বছর স্থানীয় দানশীল ব্যক্তি এবং বিদেশী প্রবাসীরা বিপুল পরিমান অর্থ দেন। শুধু তাই নই তিনি নিজেও মসজিদের নামে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে নগদ টাকা সংগ্রহ করেন।
একই এলাকার কামল উদ্দিন, আবু তাহের ও নুর আহমদ অভিযোগ করে বলেন বিপুল পরিমান অনুদান ও স্থানীয় জনগন অর্থ দিলেও মসজিদে ৮টি আর সিসি পিলার ছাড়া আর কিছু করতে পারেনি। মসজিদটি বর্তমানে খোলা আকাশে রয়েছে। গত ১২ বছরে মৌলানা আমির হোসেন বিপুল পরিমান সংগ্রহীত অর্থ কোথায় ব্যয় করেছে কেউ জানেনা ।
সিরাজুল হক,নুরুল ইসলাম ও জহির আহমদ জানান, মসজিদ পরিচালনা করার জন্য কমিটি গঠন ও একাউন্ট খোলার জন্য বলা হলেও মৌলানা আমির হোসেন কারো কথা কর্ণপাত না করে নিজের ইচ্ছা মতে সব কিছু করায় আজ মসজিদটির মাঝপথে বন্ধ রয়েছে। নেই কোন চাউনি ও দেওয়াল। শুধু মাত্র তার একগুয়েমী এবং স্বোচ্ছারিতা কারণে মসজিটির উন্নয়নে আলোর পথ দেখেনি।
নুরুল হক সওদাগর, পেঠান আলী ও শাহ্ আলম লিখিত অভিযোগে জানান, বিগত ১২ বছরে দেশ এবং বিদেশ থেকে মসজিদ নির্মানের কথা বলে মৌলানা আমির হোসেন বিপুল পরিমান অর্থ সংগ্রহ করলেও উক্ত অর্থ মসজিদে ব্যয় করেনি। অভিযোগকারীরা মনে করেন সংগ্রহকৃত অর্থ ব্যক্তিগত খাতে খরচ করে নিজেই অনিয়ম সহ অর্থ তছরুপের আশ্রয় নিয়েছে। বলতে গেলে উক্ত মসজিদটি অস্থিত্বহীন হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে উক্ত মসজিদের নামে সংগ্রহকৃত অর্থের হিসাব নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ সহ মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী অর্থের যথাযথ আয় ব্যয় হিসাব উৎঘাটন সহ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::