তারিখ: শুক্রবার, ১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share:

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি :
কুতুবদিয়া উপজেলায় গত ১২ সেপ্টম্বর (বুধবার) দুপুর ২টার সময় উপজেলা গেইট এলাকায় বড়ঘোপ ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ধর্ষনকারীর শাস্তি দাবি করে মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন শেষে ভিক্ষুব্ধ জনতা ধর্ষনকারীর বিচার দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষে করেন। পরে বিক্ষুভ শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বড়ঘোপ ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রুজিনা আকতার, সাধারন সম্পাদক হাছিনা আক্তার বিউটি, ছাত্রলীগের উপজেলা সহসম্পাদক মিজানুর রহমান, কুতুবদিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক হাসান মুরাদ প্রমুখ। এসময় উপস্থিাত ছিলেন- মহিলা আ’লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের শতাধিক নেতাকর্মী। এসময় আরো উপস্থিাত ছিলেন- জাতীয় যুব সংহতির আবু আহমদ, বড়ঘোপ শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক মো: রমিজ উদ্দিন, ছাত্রলীগনেতা জিয়া উদ্দিন জিয়াসহ হাজার হাজার জনসাধারন।
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার সময় বড়ঘোপ আমজাখালী এলাকার আব্দুল হাকিমের মেয়ে ছদ্দ নাম হৈমন্তী (১৬), তার মায়ের সাথে সাজেদা বেগমের সাথে উপজেলা গেইটস্থা জমজম হোটেলের ভিতরে ভাড়া নেওয়া এড. ফিরোজের চেম্বারে এজাহার লিখতে যায়। তার মা সাজেদা বেগম প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে পাশের বাড়ীতে গেলে উকিল ফিরোজ ভিকটিমকে জোর পূর্বক ধর্ষন চেষ্টা করে। মা এসে মেয়ে কান্নাকাটি দেখে জানতে চাইলে ঘটনার জানাজানি হয় বলে মহিলা আ’লীগের নেত্রীবৃন্দরা সাংবাদিকদের জানায়। এঘটনা তাৎক্ষণিক উপজেলা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে স্থাানীয় জনসাধরন ধর্ষনকারীর শাস্তি জানিয়ে বিক্ষুভ মিছিল করেন। বিক্ষুভকারীর চাপের মুখে পড়ে প্রশাসন ধর্ষনকারী এড. ফিরোজকে নিজ কার্যালয় থেকে রাতে গ্রেপ্তার করেন। এই ব্যাপারে মহিলা আ’লীগের নেতা কর্মীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কুতুবদিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সহ বিভিন্ন উ”চ দপ্তরে সর্বো”চ শাস্তি দাবি করে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এই ব্যাপারে কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানায়- গত ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার সময়এডভোকেট ফিরোজ আহম্মদ এর চেম্বারে তরুণী, মুয়াক্কেল ধর্ষনের ঘটনা শুনে ভিকটিমকে উদ্ধার করে কুতুবদিয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফরেন্সিক রিপোটের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ওই দিন রাতে ভিকটিমের এজাহার পেয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামরা রুজু করা হয়। কুতুবদিয়া থানার মামলা নং -১২। ধর্ষক এডভোকেট ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::