তারিখ: রবিবার, ২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ১০ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

Share:

সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁও::

কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে জমজমাট ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। ফলে এলাকার যুব সমাজ ইয়াবা সেবনসহ মাদকে আসক্ত হয়ে নানারকম অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। এরা নিজেদেরকে ধ্বংস করার পাশাপাশি সমাজকে ও ধ্বংস করছে। প্রকাশ্য ও গোপনে তদন্ত করলে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হবে। ভয়ঙ্কর তথ্য হচ্ছে এসব ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসায়ীরা তাদের অপকর্মে এলাকার অসহায় নিরীহ নারী সমাজকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজ নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক প্রশাসনের নিকট পাঠানো অভিযোগপত্র সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, স্থানীয় চিহ্নিত মানবপাচারকারী ও ইয়াবা ব্যবসায়ীরা অবৈধ পন্থায় লাখ লাখ টাকা উপার্জনের মাধ্যমে ধরাকে সরা জ্ঞান করছে। তারা তাদের ইয়াবা ব্যবসার পথ সুগম করতে স্থানীয় নারীদের বেশি বেশি ব্যবহার করছে। চিহ্নিত ওই মাদক ও হুন্ডি ব্যবসায়ীরা অনেকে দীর্ঘদিন জেলহাজতে ছিল। তাদের অনেক সাঙ্গোপাঙ্গ এখনো জেলহাজতে রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকার প্রধান দেশ থেকে মাদক নির্মূল এবং দেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। যার ধারাবাহিকতায় ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযানের খবর প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।

অথচ এখানকার স্থানীয় ইযাবা ব্যবসাযী ও হুন্ডিবাজরা প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে উচ্চ পর্যায়ের গুটিকয়েক রাজনৈতিক নেতা এবং প্রশাসনের আশ্রয় থেকে নির্দ্বিধায় তাদের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যার কারণে এলাকার যুবসমাজ দিন দিন ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সমাজের সর্বত্র ইয়াবাসহ মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময়ী শিশু-কিশোররাও অজান্তে মাদক সেবনে লিপ্ত হচ্ছে। গোপনে এবং প্রকাশ্যে তদন্ত করলে এলাকায় এর ভুরি ভুরি প্রমাণ পাওয়া যাবে।

লিখিত অভিযোগে ঈদগাঁও বাজার এলাকা, সওদাগর পাড়া, উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্যম মাইজ পাড়া, জাগিরপাড়া, মেহের ঘোনা সহ বিভিন্ন গ্রামের সুনির্দিষ্টভাবে ১৩ জনের নাম ঠিকানা উল্লেখ করে তাদের আরো অনেক সঙ্গী সাথী রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ পত্রটি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক, পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগীয় আইজি, দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম এর চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র‌্যাবের মহাপরিচালক, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সদর, কক্সবাজার ডিজিএফআই এর অধিনায়ক, কক্সবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কক্সবাজার) পিবিআই কক্সবাজারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট পাঠানো হয়েছে। অভিযোগপত্রে চিহ্নিত মানবপাচারকারী ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।

Share:

আপনার মতামত প্রদান করুন ::