তারিখ: শুক্রবার, ২৯শে মে, ২০২০ ইং, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Share:
আশ্রয়কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি


ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। কিন্তু করোনা ভাইরাসের মধ্যে আম্ফান ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একটি চ্যালেঞ্জ। এ জন্য আশ্রয়গ্রহণকারীদের লক্ষ্য রাখার পাশাপাশি ত্রাণ কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ে হতাহতের সংখ্যা কম এখন। কিন্তু করোনার ফলে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে বাড়তি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। শুধু আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীরাই নয়, যারা ত্রাণ বিতরণে জড়িত, স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে থাকবেন তাদেরও স্বাস্থ্যবিধি মানা জরুরি।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ বলছেন, ‘এ সময়ে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। যদি শেল্টারে আসার কারণে করোনা ভাইরাস কোনোভাবে সংক্রমিত হয় বা ছড়ায়, তাহলে ওই এলাকায় সংক্রমণের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। এটাও একটা ঝুঁকি। তাই ঘূর্ণিঝড় শেষ হলে সেখানে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।’ এ ছাড়া কারোর মধ্যে কোনো উপসর্গ পাওয়া গেলে পুরো আশ্রয়কেন্দ্র লকডাউন করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘করোনার প্রাদুর্ভাব আবার চলতি বছরের বাজেটেরও শেষ মুহূর্ত চলছে। সরকারের যে মজুদ বা গচ্ছিত অর্থ আছে তা অল্প মানুষকে দেওয়া যাবে। না হলে, নতুন বাজেটের অপেক্ষা করতে হবে।’

এম এন  / ১৯ মে




Share: