শিরোনাম ::
উখিয়ার রোহিঙ্গা হিন্দু ক্যাম্পের দুর্গোৎসবে অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে কোস্ট ফাউন্ডেশন। উখিয়ায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত কোটবাজার সিএনজি মালিক-চালক সমিতির কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও উপজেলা সমবায় অফিসারের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন উখিয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ!
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

আলোচিত রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ফতোয়াদাতা গ্রেফতার

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২

আলোচিত রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লা হত্যার প্রধান ফতোয়াকারী আরাকান সালভেশন আর্মি (আরসা) ওলামা মৌলভী মুফতি জকোরিয়া (৫৫)কে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার-১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্যরা। শনিবার (৫ মার্চ) সকাল পৌনে ৭ টার দিকে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পে এপিবিএন পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে।

জানা যায়, তিনি কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্ট ডি/৮ ব্লকের আব্দুল করিমের ছেলে। এছাড়া তিনি আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যানিটির (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ও আরসা ওলামা শাখার প্রধান কমান্ডার।

তিনি ২০১৫ সালে মিয়ানমার থেকে এসে ফেরত যায়। আবার ২০১৭ সালে আশ্রিত হয়ে লম্বাশিয়া এলাকায় অবস্থান করেন এবং ২০১৯ সালে আরসা ফতোয়া বিভাগের দায়িত্ব পান।

এরপর ২০২০ সালে আরসার কুতুপালং ক্যাম্প এলাকার ওলামা শাখার প্রধান কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ের শীর্ষ নেতা আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যানিটির তৎকালীন প্রধান নিহত মাস্টার মুহিবুল্লাহর সাথে তার মতবিরোধ ছিল। মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্প এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হলে জকোরিয়া আত্মগোপনে চলে যায়।

কিন্তু তাকে ধরার জন্য ১৪ এপিবিএন দীর্ঘদিন গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। দীর্ঘ চার মাস প্রচেষ্টার পর ১৪ এপিবিএনের লম্বাশিয়া ক্যাম্প পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুস্কৃতিকারীদের মদদদাতাদের শীর্ষ পরামর্শক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক (পিপিএম)। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরো খবর: