শিরোনাম ::
সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত সীমান্তে গুলির শব্দ থামছে না
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:২১ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

আবাসন ব্যবসায় ব্যস্ত কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ!

যমুনা টিভি অনলাইন
আপডেট: মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

যমুনা টিভি অনলাইন:
উন্নয়নের নামে যেন আবাসন ব্যবসায় ব্যস্ত হয়ে ওঠেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। ছয় বছরেও হয়নি পর্যটন নগরীর উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা। অথচ সাগর পাড়ের এক কিলোমিটারের মধ্যেই আবাসিক ফ্ল্যাট তৈরি করছে কউক। এরই মধ্যে বিক্রি হয়েছে সাড়ে তিনশো ফ্ল্যাট। কউক চেয়ারম্যান বলছেন, আয় বাড়াতেই নেয়া হয়েছে এ প্রকল্প। পরিকল্পনাবিদদের মন্তব্য, ব্যবসা নয়, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাজ তদারকি করা।

গড়ে উঠছে আকাশ ছোঁয়া সুউচ্চ ভবন। শ্রমিকের হাতে তাল মেলাচ্ছে ইটের পর ইট। একই সাথে চলছে সাড়ে তিনশো ফ্লাট নির্মাণের কাজ। সমুদ্র পাড়ের কয়েকশো মিটারের মধ্যে ৭০০ থেকে ১৪০০ স্কয়ারফিটের আবাসিক ফ্লাট বিক্রি করছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় সাড়ে তিনশো ফ্লাট বিক্রি হয়ে গেছে এরই মধ্যে।

প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল এসোসিয়েশন বাংলাদেশ মহাসচিব তৌফিক রহমান বলছেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারের অব্যবস্থাপনা দূর করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গঠন করা হয় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। ২০১৬ সালে গেজেট প্রকাশের পর বলা হয় মাস্টারপ্লান বাস্তবায়ন ও চলমান অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণ করে পর্যটন নগরী গড়ে তুলবে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে ছয় বছরেও সেই মহাপরিকল্পনা শেষ করতে পারেনি কউক। অনুমোদন হয়নি বানিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার সীমা। তবু সৈকতকেন্দ্রিক আবাসন ব্যবসায় মনোযোগী তারা। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে.কর্নেল (অব) ফোরকান আহমদের দাবি, আয় বাড়াতেই নেয়া হয়েছে এমন প্রকল্প। কক্সবাজারের উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে আরও আড়াই বছর লাগবে বলেও জানালেন তিনি।


আরো খবর: