শিরোনাম :
আমার গাওয়া গানগুলো বিকৃত না করে যত্নে রাখবেন ক্রীড়াঙ্গনেও স্মরণীয় হয়ে থাকবেন এন্ড্রু কিশোর পাকিস্তান থেকে ৮ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে পর্যটকশূণ্য কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসছে স্বর্ণ, খুঁজতে ভীড় করছে মানুষ কক্সবাজারে ১৫৯ নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জন করোনা পজিটিভ রাধিকাপুর থেকে মোংলা বন্দরে রেল সংযোগ হচ্ছে : নৌ প্রতিমন্ত্রী বান্দরবানে আওয়ামীলীগ কর্মী অপহরণের ৪ দিনের ব্যবধানে আবারো নিখোঁজ ১ ত্রিপুরা জেলায় স্বস্তির বৃষ্টি পেয়ে আমন ধানের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক লাদাখে উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানকে সশস্ত্র ড্রোন দিচ্ছে চীন পূর্ণিমার রাতেও বিএনপি অমাবস্যার অন্ধকার দেখতে পায়: কাদের
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

আত্মহনন থেকে প্রিয়জনকে বাঁচাতে কী করবেন?

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: নভেম্বর ৩০, ২০১৯ ১০:২৯ অপরাহ্ণ | সম্পাদনা: নভেম্বর ৩০, ২০১৯ ১০:২৯ অপরাহ্ণ

আত্মহনন থেকে প্রিয়জনকে বাঁচাতে কী করবেন?


জীবনের প্রতি একজন মানুষ যখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন তখন তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।

প্রায় প্রতিদিনই খবরের কাগজ খুললে আত্মহননের খবর পাওয়া যায়।

আত্মহত্মার প্রবণতা কি রোগ?

আমেরিকার ডেভিড শিহান নানা উদাহরণ তুলে ধরে আত্মহত্মাকে অসুখ বলেই দাবি করছেন। তার এই দাবিকে সমর্থন দিয়েছেন বিখ্যাত সাইকিয়াট্রিস্টরাও।

তাদের মতে, আত্মহত্যার বিষয়টি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, একে শুধু ডিপ্রেশনের একটি লক্ষণ বলা ভুল। আবার আত্মহত্মা ইচ্ছার প্রথম ধাপের লক্ষণ হল- যেখানে রোগী ভাবেন, আমি নিজে সক্রিয় হয়ে কিছু করব না, মৃত্যু চলে এলে ভাল হয়।

আত্মহননের কারণে অনেকে প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। আসুন জেনে নেই আত্মহনন থেকে প্রিয়জনকে বাঁচানোর উপায়। ১. প্রথমবার আত্মহত্যার চেষ্টা করার পর ওই ব্যক্তির মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা থেকেই যায়। তাই তার ওপর নজর রাখতে হবে পরিবারের।

২. বাড়িতে দু’জন লোক সব সময় ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকবেন। একজন প্রিয় মানুষ থাকতে পারে তার সঙ্গে। যেন সে তার চিন্তাভাবনা শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।

৩. বাড়ির সব দরজা, বাথরুমের লক-ছিটকিনি খুলে রাখা। যাতে ভিতর থেকে নিজেকে বন্দি করে রাখতে না পারে।

৪. ওই ব্যক্তির হাতের কাছে ধারালো বস্তু, দড়ি বা আঘাত লাগলে ক্ষতি হতে পারে এমন কিছু রাখবেন না।

৫. ছাদ বা এমন কোনও জায়গা থেকে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সেদিকে যেতে দেবেন না।

৬. কোনো কাজ দিয়ে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করুন। চুপচাপ বসিয়ে রাখবেন না।

৭.কাউন্সিলিংয়ের সময় ডাক্তার ও বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা তাবে বোঝাতে হবে সব শেষ হয়ে যায়নি। এই দুঃসময়টা কেটে যাবে। তার জন্য ভালো সময় অপেক্ষা করছে।

৮. খুব যখন অস্থির হয়ে পড়বে তখন ডাক্তারের পরামর্শমতো কিছু ওষুধ খাইয়ে দিতে হবে। এতে উদ্দীপ্ত স্নায়ু শিথিল হয়ে আসে।

এন এইচ, ০১ ডিসেম্বর




কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::