শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত সামাজিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত উখিয়ার রাজা পালং মাদ্রসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠিত মুক্তি কক্সবাজারের উদ্যোগে উখিয়ায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডশিপের প্রশিক্ষণে চ্যাম্পিয়ন ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী ফুটবল টিমকে সংবর্ধনা উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধ ও অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত একসঙ্গে ৪ সন্তান জন্ম দিলেন মহেশখালীর এক গৃহবধূ! বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চলে ঝরে পড়া শিশুদের জন্য উদ্বোধন শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের বান্দরবান দুই শতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উখিয়ায় পালস’র উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি দিবস পালিত
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশ::
কক্সবাজার পোস্ট ডটকমে আপনাকে স্বাগতম..

আত্মগোপনে গিয়েও রেহাই পেল না ঘাতক প্রেমিক

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

প্রেমিকাকে ডেকে এনে খুন করে আত্মগোপনে গেলেও বেশিদিন পালিয়ে থাকতে পারেনি ঘাতক প্রেমিক। ধরা পড়তে হলো পুলিশের হাতে। নগরের হালিশহরে রেড উড আবাসিক হোটেল থেকে গত বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে শাহিদা জাহান সুমির (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রেমিক ভুয়া পরিচয় হোটেলের রেজিস্টারে নথিভুক্ত করায় তাকে ধরতে বেশ বেগ পেতে হলো পুলিশকে।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রেমিক আশরাফুল ইসলাম সুজনকে (২৫) সাভারের আশুলিয়া থেকে গ্রেফতারের পর সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সিএমপি কার্যালয়ে বিস্তারিত জানান পশ্চিম জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল ওয়ারিশ।

তিনি বলেন, এটি একটি ক্লুলেস ঘটনা ছিল। আসামি সুজন পরিকল্পনা করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পরিকল্পনা মাফিক আগেরদিন সুজন ঢাকা থেকে চলে আসে। পরদিন সুজন সুমিকে ফোন করে হোটেলে দেখা করতে বলে। এর আগে সে (সুজন) হোটেলে কক্ষ ঠিক করে রাখে। ঘটনার দিন বিকালে সুমি হোটেল কক্ষে সুজনের সাথে প্রবেশ করে। এ সময় সুজন সুমিকে নিজের স্ত্রী বলে পরিচয় দেয়।

ডিসি ওয়ারিশ আরও জানান,পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিতে সুজন কুমিল্লার বরুড়া থানার জনৈক কামরুল নামের এক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিয়ে হোটেলে কক্ষ ভাড়া করে। এ সময় সুজন মাস্ক পরে থাকায় তার পরিচয় অধিকতর নিশ্চিত হয়ে লিপিবদ্ধ করতে পারেনি হোটেল কর্তৃপক্ষ। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সে সাভারে বোনের বাসায় লুকিয়ে ছিল। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সুমি সর্ম্পকে সুজনের পাড়াত চাচী। তাদের দুজনের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার বিন্নাঘুনি এলাকায়। ভিক্টিম সুমি বিবাহিত। তার তিন সন্তান রয়েছে। পরকীয়ার অভিযোগে তার বর্তমান স্বামী তাকে বাপের বাসা হালিশহরে পাঠিয়ে দেয়। দুই বছর ধরে সুমি তার বাবার বাড়িতে থাকছে। তবে স্বামীর সাথে তার ডিভোর্স হয়নি। গত দুই বছর ধরে সুমি সুজনের সাথে প্রেম করে আসছিল। কিছুদিন ধরে সুজন সুমির সাথে অন্য কারও সম্পর্ক রয়েছে ভেবে সন্দেহ করতে শুরু করে। সেই সন্দেহ থেকে পরিকল্পিতভাবে সুমিকে খুন করে সুজন।

গ্রেফতার সুজন ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালের রিপোর্ট ডেলিভারি শাখায় চাকরি করে। পাশাপাশি সে টঙ্গী সরকারি কলেজের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।


আরো খবর: