মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

আগামীতে উপকূল নামের কোন এলাকা থাকবে না – এমপি আশেক

প্রতিবেদকের নাম::

প্রকাশ: এপ্রিল ১৯, ২০১৯ ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনা: এপ্রিল ১৯, ২০১৯ ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ

মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বলেছেন, জলবায়ু তহবিলের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হলে আগামিতে উপকূল নামের কোন এলাকা থাকবে না। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার একাধীক বহুমুখী প্রকল্পের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন।

বিগত সময়ে কুতুবদিয়ার জন্য বরাদ্দ করা সাইক্লোন সেল্টার চট্টগ্রামে করা হয়েছে। মহেশখালী-কুতুবদিয়ার জন্য বরাদ্দের অর্থ পার্শ্ববর্তী এলাকায় খরচ করা হয়েছে। যার ফলে তা পুষিয়ে আনতে অক্ষøান্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

এছাড়া জলবায়ু তহবিলের অর্থ পরিকল্পিতভাবে ব্যয় করে প্রাকৃতিকভাবে ঝুকিপুর্ণ এলালাকগুলোকে আরো নিরাপদ করা যায়। বিগত বিএনপি সরকারের সময়ে দলীয়ভাবে ভাগ করে প্যারাবন নিধন করা হয়েছে। এখন আর সেই পরিবেশ নেই। আমরা আরো বনায়ন করে উপকুলীয় এলাকাকে ঝুকিমুক্ত করা। ইতোমধ্যে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা শুরু হয়েছে। আগামীতে উপকূল নামে কোন এলাকাই থাকবেনা।

তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষতি হ্রাসের জন্য বাজেট বৃদ্ধি আবশ্যক শীর্ষক প্রাক-বাজেট সেমিনারে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমি কক্সবাজার জেলার অনেকগুলি দ্বীপের এমপি হিসাবে দায়িত্বপালন করছি। তাই দ্বীপের মানুষের সুরক্ষার কথা ভাবতে হয় প্রতিনিয়ত। তিনি বলেন, যাদের বেড়িবাঁধ নির্মানের অভিজ্ঞতা নেই এবং পুঁজি নেই তারাই বেড়িবাঁধ নির্মানের সাব-টিকাদার হিসেবে কাজ করছেন। তাই কাজের আশানুরূপ অগ্রগতি দেখতে পাওয়া যায় না।

চকরিয়া জলবায়ু ফোরামের সভাপতি এখলাছুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রতিপাদ্য বিষয় উপস্থাপন করেন কোস্ট ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মকবুল আহমেদ।

সেমিনারে অন্যান্য আলোচকরা বলেন, কক্সবাজার জেলা সদরে এবং বিভিন্ন উপজেলায় খাবার পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিষয়টি জাতীয় সংসদে তুলে ধরার জন্য সাংসদের প্রতি আহবান জানান আলোচকরা। এ ছাড়া বেড়িবাঁধ নির্মানের স্থবিরতার বিষয়টিও আলোচনায় তুলে ধরেন নেতৃবৃন্দ।

কোস্ট ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মকবুল আহমেদ বলেন, বৃটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় এবং কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলায় ‘জলবায়ু অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা অর্জন কৌশল’ নামে একটি প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে।

এই প্রকল্পের উদ্যোগে টেকনাফ, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি সমন্বয়ে চারটি জলবায়ু ফোরাম এবং জেলা জলবায়ু ফোরাম গঠন করা হয়েছে।

সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন ডেইলি স্টারের স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ আলী জিন্নাত, কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যান আকম শাহরিয়ার চৌধুরী, খুরুস্কুলের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহিম, মহেশখালী রেঞ্জ অফিসার শামসুল হক, সিপিসি টিম লিড়ার মোহাম্মদ হোসেন, সাবেক পিটিআই সুপার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এক্সপাউরুলের নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কানন পাল, কক্সবাজার আদালতের সিনিয়র আইনজীবী রমিজ আহমদ, মহেশখালীর কালারমারছড়ার সাবেক চেয়ারম্যান রহুল কাদের বাবুল, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মমতাজ উদ্দিন বাহারী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন যুগ্মসম্পাদক জিএএম আশেকউল্লাহ, হাসান কুতুবী, কামাল উদ্দিন রহমান পেয়ারু, আহমদ গিয়াস ও মো: ইলিয়াছ মিয়া প্রমুখ।

কক্সবাজার পোস্ট.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কক্সবাজার পোস্ট সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
এই জাতীয় আরো খবর::